মহানগর ডেস্ক:   দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে একের পর এক রাজ্য থেকে স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়ার খবর আসতে শুরু করেছিল। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিজে করোনার জেরে রাজধানীতে স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে করোনা সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, দিল্লিতে করোনা পজিটিভিরে হার ২৫ শতাংশের নীচে চলে গিয়েছে।

রাজধানীতে পরিসংখ্যানের হিসেবে দেখা যায়, ১৮ এপ্রিলের পর রাজ্যে এই প্রথম করোনা সংক্রমণের হার ২৫ শতাংশের নীচে নেমেছে। তার সঙ্গে নেমেছে দৈনিক করোনা সংক্রমণের সংখ্যা। দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯,১৩৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ৩৩৫ জনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে। গত চার দিনে পর পর তিন দিন দিল্লিতে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের নীচে। তবে দিল্লিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা কিছুতেই কমছে না।

দিল্লিতে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। ২২ এপ্রিল নাগাদ দিল্লিতে করোনায় পজিটিভের হার ৩৬ শতাংশের ওপর চলে গিয়েছিল। দিল্লিতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লি সরকার প্রথমে ছয় দিনের লকডাউন ঘোষণা করেন। পরে সেই লকডাউনের সময় আরও বাড়ানো হয়। এক লকডাউন কাজে আসছে। দিল্লিতে করোনা সংক্রমণের হার কমছে বলেই মনে করছে।

অন্যদিকে, মহারাষ্ট্রে সপ্তাহন্তে লকডাউন ও নাইট কারফিউ জারি করা হয়েছে। দেশে করোনার সেকেন্ড ওয়েভে সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে আস্তে আস্তে মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে বলেই জানা গিয়েছে।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here