Home Featured রবিনসন স্ট্রিটের কঙ্কাল কান্ডের ছায়া এবার বাগবাজারে, পচা গলা বৃদ্ধের মৃতদেহ আগলে মা ও মেয়ে

রবিনসন স্ট্রিটের কঙ্কাল কান্ডের ছায়া এবার বাগবাজারে, পচা গলা বৃদ্ধের মৃতদেহ আগলে মা ও মেয়ে

0
রবিনসন স্ট্রিটের কঙ্কাল কান্ডের ছায়া এবার বাগবাজারে, পচা গলা বৃদ্ধের মৃতদেহ আগলে মা ও মেয়ে
Parul

মহানগর ডেস্ক: আবারো শহর কলকাতায় আতঙ্ক। আবারও শহর কলকাতায় দেখা গেল রবিনসন স্ট্রিটের কঙ্কাল কান্ডের ছায়া। এবারের ঘটনাটি উত্তর কলকাতার বাগবাজার এর নিয়োগী ঘাট স্ট্রিটে। বৃদ্ধের পচা গলা মৃতদেহ আগলে বসে রইলো বৃদ্ধা স্ত্রী ও মেয়ে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বাগবাজারের নিয়োগী ঘাট স্ট্রিটে থাকতেন ৭৮ বছরের বৃদ্ধ দ্বিগবিজয় ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও মেয়ে। তিন তলা বাড়ির উপরের তলার বাসিন্দা ছিলেন দ্বিগবিজয় বাবু। পেশায় ছিলেন প্রাক্তন নাট্যকর্মী। অনুমান করা হচ্ছে যে প্রায় দুমাস আগে মৃত্যু হয়েছে দ্বিগবিজয় বাবুর। তারপর থেকেই কাউকে ওই বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয় না।

বন্ধ থাকে বাড়ির দরজা-জানালা। কোনভাবেই প্রতিবেশীরা তাদের খবর পেতেন না। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে দ্বিগবিজয় বাবুর বাড়ির উলটো দিকের বাসিন্দার নাকে পৌঁছায় পচা গন্ধ। সন্দেহ হওয়াতেই সেই বাড়ির লোকেরা পুলিশকে খবর দেয়। মঙ্গলবার রাতেই আসে পুলিশ। বাড়িতে ঢুকতে চাইলে বাধা দেওয়া হয়। একপ্রকার জোর করেই বাড়িতে ঢোকে। দেখে বিছানায় পড়ে রয়েছে দ্বিগবিজয় বাবুর পচা গলা মৃতদেহ। আর তা আগলে রয়েছে তার মেয়ে ও বৃদ্ধা স্ত্রী।

এখন প্রশ্ন আসছে যে, এতদিন ধরে কি করেছিলেন বৃদ্ধা ও তার মেয়ে? অদ্ভুতভাবে সেই বাড়িতে ওই পচা গলা মৃতদেহের সঙ্গেই তারা তারা দুজন খাওয়া-দাওয়া, শোয়া-বসা করতেন। প্রায় জোর করেই বৃদ্ধের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কিভাবে বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এলেই সেই ধোঁয়াশা পরিষ্কার হবে।

এছাড়াও জানা গিয়েছে যে, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর বৃদ্ধের মেয়ে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে এই বাড়িতে থাকতেন। মনে করা হচ্ছে মানসিক কোনভাবে আক্রান্ত দ্বিগবিজয় বাবুর স্ত্রী ও মেয়ে। চিকিৎসার জন্য তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটে প্রায় ছয় মাস ধরে দিদির মৃতদেহ আগলে বসে ছিল ভাই পার্থ দে। যা গোটা কলকাতাকে কাঁপিয়ে তুলেছিল। আর সেই একই ঘটনা ঘটল এবার বাগবাজারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here