vote work

মহানগর ডেস্ক: ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। শুক্রবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ভোটের দিন ঘোষণা করেছেন। এরমধ্যেই ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা সহ একাধিক দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা।

বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের কাজে গিয়ে মৃত্যু হলে দিতে হবে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ। পাশাপাশি পরিবারের একজনকে দিতে হবে সরকারি চাকরি। এছাড়াও বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে মাকে ভোটের কাজে পাঠানো যাবে না। বাড়িতে অসুস্থ বাবা-মাও থাকলে ভোটের কাজে পাঠানো যাবে না বলেও বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির তরফে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী দিয়ে ভোট নিশ্চিত করতে হবে। সুরক্ষিত ভাবে ভোটের পরে বাড়ি ফেরাতে হবে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী দিয়ে বলে শিক্ষক ও অশিক্ষক স্বাস্থ্যকর্মীরা দাবি করেছেন। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের ভোটের কাজ থেকে নিস্তার দিতে হবে। শিক্ষিকাদের বাড়ির কাছে ভোটের কাজ দিতে হবে বলে তারা দাবি করেছে। এই বিষয়ে তারা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভোটের দিন প্রকাশ করে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাতনী কমিশনার সুনীল আরোরা। রাজ্যে মোট আট দফায় ভোট হবে। ২৭ মার্চ থেকে ভোট শুরু হবে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যে ভোট হবে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই নভেম্বরে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। সেই মডেলকে এই পাঁচটি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের নির্বাচনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতে পারে বলে সুনীল অরোরা জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাড়ি বাড়ি প্রচারে একসঙ্গে পাঁচ জনের বেশি যেতে পারবেন না। পথসভার ক্ষেত্রেও পাঁচটির বেশি গাড়ি ব্যবহার করা যাবে না। এবার অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে। তবে সশরীরে প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে দুই জনের বেশি যেতে পারবেন না। সংবেদনশীল কেন্দ্রগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সিসিটিভির নজরদারিতে থাকবে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here