Parul

মহানগর ডেস্ক: চলতি বছর ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে দেশের উপর আছড়ে পড়েছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। জুনের শেষ থেকেই ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে সংক্রমণের হার। কিন্তু বর্তমানে সেই সংক্রমণের হার কমছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। যা চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে সতর্ক করল নীতি আয়োগ।

ads

নীতি আয়োগ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১০০ থেকে ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নীতি আয়োগ এর সদস্য জানিয়েছেন, সংক্রমণ এখন কমছে। কিন্তু অত্যন্ত ধীরগতিতে কমছে। এটা খুবই খারাপ লক্ষণ। ভারতে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগামী ১০০ থেকে ১২৫ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, আর দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যেই দেশের উপরের আছড়ে পড়তে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। এদিকে সংক্রমণের হার কমছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। কড়াকরি করা হচ্ছে একাধিক রাজ্যকে।

এই প্রসঙ্গে নীতি আয়োগ এর সদস্য ভি কে পল জানিয়েছেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি জুলাইয়ের মধ্যে ৫০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে। সম্ভবত এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমরা সফল হব। সরকার কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিন এর ৬৬ কোটি ডোজের জন্য অর্ডার দিয়েছেন। বেসরকারি ক্ষেত্রগুলিকে দেওয়া হতে পারে ২২ কোটি ডোজ’। গবেষকেরা জানিয়েছিলেন, যে তৃতীয় ঢেউকে দেশে প্রতিরোধ করার একমাত্র উপায় হলো অতিরিক্ত পরিমাণে টিকাকরণ।

ভি কে পল জানিয়েছেন, ‘আইসিএমআর এর সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যারা ভ্যাকসিনের দুটি দিয়েছেন তাদের করোনায় মৃত্যুর আশঙ্কা অনেকটাই কম। এমনকি তামিলনাড়ুতে পুলিশকর্মীদের ওপরে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। তাতে দেখা গিয়েছে করোনা মোকাবিলায় পুলিশকর্মীরা কাজে নিযুক্ত ছিলেন। তাদের মৃত্যুর সম্ভাবনা ৯৫ শতাংশ কমেছে’।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার আমরা এখন তৃতীয় ঢেউ এর প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। এখনো পর্যন্ত ১১১ টি দেশে করোনার নয়া রূপ ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট এর অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে শীঘ্রই এই ভেরিয়েন্ট সারাবিশ্বে তান্ডব শুরু করবে’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here