kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি : এক চিলতে ঘরে স্থান সঙ্কুলান হয়নি। ঘর ছাড়তে হয়েছে অন্তঃস্ত্বা স্ত্রীকে।অগত্যা বাথরুমেই দিন কাটাচ্ছেন জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি শহরের ন নম্বর ওয়ার্ডের এক যুবক। বাথরুমের ছোট্ট পরিসরেই সারছেন খাওয়া-দাওয়া-ঘুম। প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। দ্রুত যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর।

হুহু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। হাসপাতাল-নার্সিংহোম-সেফহাউস সর্বত্রই ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই রব। যাঁরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছ্বল, তাঁরা মোটা টাকার বিনিময়ে নামীদামি নার্সিংহোমে কোনওমতে জায়গা করে নিচ্ছেন। যাঁদের সে সামর্থ্য নেই তাঁরা পড়েছেন বিপাকে। যেমন, ধূপগুড়ির ন নম্বর ওয়ার্ডের করোনা সংক্রমিত এক যুবক।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ধূপগুড়ির ওই যুবক একটি বেসরকারি ঋণদানকারী সংস্থায় চাকরি করেন। দিন কয়েক ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ। চিকিৎসক তাঁকে হোম আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেন। ওই যুবকের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। চিলতে ঘরে থাকার জায়গাই বা কোথায়? এর পরেই ওই ব্যক্তির পরিবার সিদ্ধান্ত নেন যুবককে রাখা হবে বাথরুমে। সেই মতো বাথরুমেই নিভৃতাবাসে রয়েছেন তিনি। সেখানেই করছেন খাওয়া-দাওয়া-ঘুম।

ঘটনাটি জানাজানি হতেই হইচই পড়ে যায়। ওই যুবকের বাবা বলেন, আমরা গরিব মানুষ। ভাঙা ঘরে আলাদা থাকার জায়গা নেই। সেই কারণেই বাথরুমে ছেলের থাকার ব্যবস্থা করেছি। ঘটনার কথা কানে গিয়েছে স্থানীয় কাউন্সিলর নমিতা রায়েরও। তিনি বলেন, পরিবারের তরফে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। তবে খবরটি শুনেছি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধূপগুড়িতে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়লেও, এতদিন সেফ হোম ছিল না। শনিবারই সেফহোম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর ও ব্লক প্রশাসন। আপাতত সেফহোমে পরিণত করা হচ্ছে ধূপগুড়ি কলেজকেই।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here