national news

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দলের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন চন্দ্র বসু। তারপরেও গেরুয়া শিবিরের সবচেয়ে বিতর্কিত চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন তিনিই। সেই কোপেই কি রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক পদ থেকে বাদ পড়লেন ! ইতিমধ্যেই এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে গেরুয়া শিবিরের একাংশে। যদিও দলের এই সিদ্ধান্তকে নিভৃতে থেকে সমর্থন জানিয়েছেন চন্দ্র বসু।

দলে থেকে দলের বিরুদ্ধেই বারবারই সুর চড়াতে দেখা গিয়েছে চন্দ্র বসুকে। রাজ্য বিজেপির সভাপতিকে কটাক্ষ করেও কথা বলতে ছাড়েননি তিনি। এরপরেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তির হাতে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে দেওয়ার সহ একাধিক অভিযোগ নিয়ে দল ছাড়তে বসেছিলেন চন্দ্র বসু। যদিও শেষমেষ পদত্যাগ করেননি তিনি। কিন্তু থেকে গিয়েছিলেন নিভৃতেই। চন্দ্র বসু আদৌ দলে আছেন কিনা এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বহুবার। তবে তারপরও দল বা তাঁর তরফ থেকে কোনরকম বিবৃতি প্রকাশ পায়নি। অবশেষে এদিন রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক পদের তালিকা প্রকাশ হতেই ফের চর্চা শুরু হয় তাকে নিয়ে। নতুন তালিকায় শুধুমাত্র রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতির পদ থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়নি। গোটা তালিকাতে তার নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে চন্দ্র বসুর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মহানগর ২৪×৭ কে আক্ষেপের সঙ্গে জানান, ‘আমি দুবার ভোটে দাঁড়িয়ে ছিলাম। দুবারই হেরে গেছি। যদিও সেই জায়গা গুলি যথেষ্ট কঠিন ছিল। এই টিমে নতুনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তারা প্রত্যেকেই জিতে এসেছেন। তাই হয়তো তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।’ যদিও সহ-সভাপতি পদে থাকাকালীন তাকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি বলেও এদিন ফের আরেকবার আক্ষেপ করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘সহ সভাপতি পদ একটি এমন পদ যেখানে নিজের থেকে কিছু কাজ করার থাকেনা। যতক্ষণ না পর্যন্ত ওপর থেকে কোন দায়িত্ব দেওয়া হয়। আমি দলের কাছে বহুবার আরজি জানিয়েও কোন কাজের দায়িত্ব পাইনি।’ যদিও পদ না পেলেও দলের জন্য ভাবনাতে একটুও খামতি রাখছেন না তাই দিন জানিয়ে দেন চন্দ্র বসু। পশ্চিমবঙ্গের সংগঠনের ভিত আরও শক্ত করতে কি কি করণীয় সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য সহ কেন্দ্রীয় স্তরে তিনি জানিয়েছেন বলে জানান।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here