ডেস্ক: দেশের গরিবদের বছরে ৭০ হাজার টাকার পাশাপাশি সম্প্রতি মাসিক ন্যূনতম আয়ের প্রতিশ্রুতি সহ ইস্তেহার প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের এই ইস্তেহার প্রকাশের কিছুক্ষণের পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই ইস্তেহারকে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তাঁর দাবি, ‘এটা এমন একটা প্রতিশ্রুতি যা কখনই পূরণ হওয়ার নয়।’

ইস্তেহার প্রকাশের অনেক আগেই কংগ্রেস সভাপতি জনভা করে জানিয়ে ছিলেন ক্ষমতায় এলে তিনি দেশের গরিব মানুষকে বার্ষিক ৭০ হাজার টাকা করে দেবেন। এরপর মঙ্গলবার রীতিমতো ইস্তেহার প্রকাশ করে দেশের মানুষের চাকরি, আয় ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় কংগ্রেস। তাঁর পাল্টা দিতে এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে অরুণ জেটলি জানান, ‘এই প্রতিশ্রুতি কখনই পূরণ হওয়ার নয়। এহেন প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত বিপজ্জনকও।’ তাঁর আরও দাবি, কংগ্রেসের উদ্দেশ্য দেশকে ভাগ করা। এই প্রতিশ্রুতি, দেশের মাওবাদী ও জঙ্গিদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার মতো। দেশের সেনাকে অপমান করেছে কংগ্রেস। এরপরই জম্মু কাশ্মীরকে তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘জম্মু কাশ্মীরের কাশ্মীরী পণ্ডিতদের জন্য এক বিন্দু অশ্রু নেই এদের। স্বাধীন ভারতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ব্যর্থ কংগ্রেস।’ এরপরই জেটলির দাবি, ‘এই ধরণের প্রতিশ্রুতি তৈরি হয়েছে অবহেলার উপর। এবং এই ইস্তেহার পড়ে আমার মনে হয়েছে কংগ্রেস সভাপতিকে ছাপিয়ে গিয়েছে কংগ্রেসের এই ইস্তেহার।

প্রসঙ্গত, কর্মসংস্থান, শিল্প, ন্যূনতম আয় যোজনা-সহ ৫৫ পাতার ইস্তেহার মঙ্গলবার প্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধী। যেখানে, বলা হয়েছে, সরকারি ক্ষেত্রে ২২ লক্ষ শূন্য পদ পূরণ করা হবে, পঞ্চায়েতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান হবে, সরাসরি মহিলা ও গরিবদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাবে টাকা, মাসে ন্যুনতম ৬ হাজার টাকা আয়ের গ্যারেন্টি, কৃষকরা ঋণ মেটাতে না পারলে ফৌজদারি মামলা নয়, নতুন ব্যবসায় নিতে হবে না অনুমতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে জোর দেওয়ার পাশাপাশি, জিডিপির ৬ শতাংশ টাকা শিক্ষাক্ষেত্রে দেওয়া হবে, রেল বাজেটের মতো কৃষকদের জন্যও হবে আলাদা বাজেট, ১০০ দিনের কাজ বাড়িয়ে ১৫০ দিন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here