kolkata news
Highlights

  • আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল তিন বিজেপি নেতাকে
  • আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের সাতদিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন
  •  ধৃতদের কাছ থেকে ইতালির তৈরি নাইন এমএম পিস্তল ও এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে


নিজস্ব প্রতিনিধি, বীরভূম:
আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল তিন বিজেপি নেতাকে। আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের সাতদিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম সোমনাথ ঘোষ, কার্তিক মণ্ডল ও অমিত প্রামাণিক। সোমনাথ বিজেপির কিসান মোর্চার জেলা সভাপতি। বাকিরা একই সংগঠনের কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজেপির জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডলের ডাকে একটি আলোচনায় রামপুরহাট কামারপট্টিতে দলীয় কার্যালয়ে যায় সোমনাথরা। সেখানে জেলা সভাপতি এবং অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর জেলা সভাপতির সঙ্গে বৈঠক সেরে বাড়ি ফেরার সময় রামপুরহাটের ডাক্তারপাড়ায় এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসায় জড়ান সোমনাথরা। তারাই রামপুরহাট থানায় খবর দেন। এরপর পুলিশ এসে তাদের আগ্নেয়াস্ত্র-সহ আটক করে। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর রাতের দিকে তাদের গ্রেফতার করে রামপুরহাট থানার পুলিশ।

এই গ্রেফতারের পিছনে দলের জেলা সভাপতির হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন ধৃত সোমনাথ। ধৃতদের কাছ থেকে ইতালির তৈরি নাইন এমএম পিস্তল ও এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। আদালতে তোলার আগে সাংবাদিকদের সামনে সোমনাথ বলেন, ‘জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল এই জেলায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বন্ধ করতে অক্ষম। এই গ্রেফতারের পিছনে তাঁরই ষড়যন্ত্র রয়েছে। শ্যামাপদ মণ্ডলের জেলে থাকা উচিত ছিল।’ ধৃতদের দাবি, তাদের ফাঁসানো হয়েছে। তাদের কাছে আগেয়াস্ত্র ছিল না।

যদিও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উড়িয়ে শ্যামাপদবাবু বলেন, বৃহস্পতিবার দলের রামপুরহাট শহর সভাপতির বিরুদ্ধে ওরা অভিযোগ জানাতে এসেছিল। আমি নির্দিষ্ট দিনে এনিয়ে আলোচনায় বসার কথা বললে ওরা চলে যায়। এখানে আমার চক্রান্তের কিছু নেই। চক্রান্ত যদি থাকত, তা হলে তো পুলিশ ডেকেই ওদের ধরিয়ে দিতে পারতাম। ওদের নিজেদের মধ্যে মারামারির জেরে ভেতরে ভেতরে আক্রোশ রয়েছে। তবে পার্টি অফিসে থাকাকালীন ওদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পাইনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here