kolkata news national

Highlights

  • কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে একাধিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সংগঠন
  • সংরক্ষিত এলাকায় প্লাস্টিক বর্জনের পাশাপাশি ‘সত্যিকারের কড়া পদক্ষেপ’ নেওয়ার সওয়াল
  • কী করে প্লাস্টিক এল, তা নিয়েই তদন্ত

মহানগর ওয়েবডেস্ক: অভয়ারণ্য। বাঘেদের জন্য বিশেষ ভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে জিম করবেটের নামাঙ্কিত উত্তরাখণ্ডের এই অভয়ারণ্যে। যা পৃথিবী বিখ্যাত। আর সেখানেই দেখতে পাওয়া গেল প্লস্টিকের প্যাকেট, ড্রাম নিয়ে খেলছে দুটি বাঘ। কারও মতে খাদ্যের খোঁজেই এই অবস্থা। মুখে নিয়ে চলছে টানাটানি। দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছে আরেকটি বাঘ। যে কোনও সময়ে মুখ দিতে পারে সেও। শুক্রবার সকালে এই ছবি টুইট করেছেন ভারতীয় বনবিভাগের আধিকারিক পারভীন কাসওয়ান। আর তারপরেই এই ছবি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। পশুপ্রেমীরা আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছে একাধিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সংগঠন।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, জিম করবেট জাতীয় উদ্যানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে রামগঙ্গা নদী। এই অঞ্চল ধিকালা রেঞ্জের আওতায় পড়ে। জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে কয়েকজন পর্যটক এই দৃশ্য মোবাইল বন্দী করেছিল। একটি বাঘের মুখে প্লাস্টিক ও ওপর জনের মধ্যে ড্রাম জাতীয় কিছু দেখতে পাওয়া যায়। এই ছবি উদ্বিগ্ন করে তুলেছে কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশবিদদের।

তারপর ছবিতে হুহু করে বেড়েছে কমেন্ট। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শেয়ার। সকলেই এই ঘটনায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। অনেকেই লিখেছেন, জল, বনে মারাত্মক ভাবে প্লাস্টিক জমা হচ্ছে। এই কারণেই কয়েকশো প্রাণীর মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বন্যপ্রাণ। ভাইরাল এই ছবি শেয়ার করে নেট দুনিয়ার অনেকেই এখনই সচেতন হওয়ার আবেদন জানিয়েছে। সংরক্ষিত এলাকায় প্লাস্টিক বর্জনের পাশাপাশি ‘সত্যিকারের কড়া পদক্ষেপ’ নেওয়ার সওয়াল করে সরব হয়েছেন বন্যপ্রাণ প্রেমীরা।

জিম করবেট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পর্যটকদের কাছ থেকে এই ছবি পাওয়া গিয়েছে। কী করে প্লাস্টিক এল তা তদন্ত করে দেখা হবে। কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। প্লাস্টিকমুক্ত এই অঞ্চল নদীর তীরে। সংলগ্ন অঞ্চলে গ্রাম রয়েছে। কোনও স্থানীয় বাসিন্দা নদীতে প্লাস্টিক ফেলেছিল। তা জলে ভেসে উদ্যানের কাছে এসেছিল। আর তা নিয়েই খেলছিল বাঘেরা বলেও মনে করা হচ্ছে।

বিশ্ব বন্যপ্রাণ তহবিলের তথ্য অনুসারে, প্রতি বছর আট মিলিয়ন টন প্লাস্টিক মহাসাগরে ফেলা হয়। তা সামুদ্রিক এবং বন্যপ্রাণীর জীবনযাপন ও সংখ্যায় বিরূপ প্রভাব ফেলে। প্রসঙ্গত, গত বছর মৃত কচ্ছপের একটি ছবি ভাইরাল হয়। উঠে এসেছিল ভয়ঙ্কর তথ্য। একটি বাচ্চা কচ্ছপের পেটে ১০৪ টি প্লাস্টিকের টুকরো পাওয়া গিয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here