Kandhamal: Tribal voters wait in queue to exercise their franchise in the first phase of the Odisha Panchayat Polls in Kandhamal on Monday. PTI Photo(PTI2_13_2017_000171B)

ডেস্ক: আইন না মেনেই মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানোর নির্দেশ জারি করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন?
সোমবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল মঙ্গলবারও মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে৷ কিন্তু রাতে পোহাতেই তারা জানিয়ে দেয়, এদিন আর মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে না৷ নির্দেশ বাতিলের পরেই তুমুল আলোড়ন শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে৷ কেন রাতারাতি নির্দেশ বাতিল করা হল,তা নিয়ে দিনভর চর্চা চলে৷ কীসের ভিত্তিতে নির্দেশ বাতিল হল, সে ব্যাপারে খোঁজখবর ছিল৷ মনোনয়নে একদিন সময় বাড়ানোয় রীতিমতো স্বস্তি দেখা দেয়৷ কিন্তু মঙ্গলবার সকালে সেই স্বস্তি উধাও হয়ে যায় কমিশনের নয়া বিজ্ঞপ্তিতে৷

 

সূত্রের খবর, নির্দেশ বাতিলের পেছনে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ইমেল৷ সোমবার বেশি রাতের দিকে মেল করে তিনি নির্বাচন কমিশনকে জানান, কমিশনের নির্দেশ বেআইনি৷ সঙ্গে প্রামাণ্য তথ্য হিসেবে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন৷ তারপরই নির্দেশ বাতিল করে কমিশন৷ কল্যাণবাবুর কথায়, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৬/২ ধারায় পরিষ্কার বলা হয়েছে, যদি কমিশনের কাছে প্রচুর অভিযোগ জমা পড়ে,তাহলে তারা নির্দেশিকা জারি করতে পারে৷ তাতে প্রার্থীরা গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির মনোনয়নপত্র এসডিও ও বিডিও অফিসে জমা দিতে পারবেন৷ কিন্তু ওই ধারার একেবারে শেষ লাইনে বলা রয়েছে, নির্বাচন কমিশন নির্দেশিকা জারি করবে, সেই বিজ্ঞপ্তিতেই মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর সময়সীমা থাকতে হবে৷ কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি৷ এসডিও ও বিডিও অফিসে জমা দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল ৫ এপ্রিল৷ অন্যদিকে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি জারি নয় ৯ এপ্রিল৷ এটি অবৈধ বলেই কমিশনকে জানান তৃণমূল সাংসদ৷ তারপরই কমিশন বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here