ডেস্ক: গতকালই অন্ধ্র ও ওড়িশার উপকূলে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় তিতলি। তিতলির প্রভাবে ওড়িশায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ওড়িশার গঞ্জাম ও গজপতি জেলায়। তবে আগে থেকে সতর্কতা জারি থাকায় মানুষদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ফলে বিপদ খানিকটা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

তিতলির দাপটে ইতিমধ্যেই অন্ধ্রে মৃত্যু হয়েছে ৮ ব্যক্তির। ওড়িশায় কারও মৃত্যু না হলেও নিখোঁজ রয়েছেন ৬ জন। শুক্রবার সকালেও ওড়িশা ও অন্ধ্র সীমানায় প্রবল বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। মূলত অন্ধ্র এবং ওড়িশাই সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এই ঝড়ে। বহু জায়গায় উলটে গিয়ে গাড়ি, ঝড়ের দাপটে ভেঙে পড়েছে গাছ। তিতলির আঘাত আর কয়েক ঘণ্টা চললে ওড়িশায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলেও টুইটারে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শক্তি হারিয়ে আপাতত তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বাংলায় ঢুকবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। ফলে পুজোর কয়েকদিন হালকা থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ষষ্ঠী থেকে সপ্তমী পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হলেও তারপর আকাশ ফাঁকা থাকবে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। তিতলির আগমনের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলার ৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করেছে হাওয়া অফিস। দুই ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, কলকাতা, মালদা, দুই দিনাজপুর–সহ প্রায় সব জেলাতেই অল্প বিস্তর বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here