ডেস্ক: ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ সালের ১৯ জানুয়ারি বিগ্রেডে মহা সমাবেশের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কারণ, তার কয়েক মাসের মধ্যেই গোটা দেশজুড়ে লোকসভা নির্বাচন৷ আর লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে এই সমাবেশে দেশের প্রতিটি অবিজেপি দলগুলিকে আহ্বান জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ রাজ্যের ৪২টি আসনের সবকটি দখলের যেমন বার্তা দিয়েছেন, ঠিক তেমনই বিগ্রেডের ওই সমাবেশে কেন্দ্র থেকে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে উৎখাতের শপথ নেবেন মমতা৷ ইতিমধ্যে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড সোনিয়া গান্ধিকে ওই সমাবেশে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী৷ কিন্তু বিজেপি বসে থাকার পাত্র নয়৷ মমতার এই ঘোষণার পরই সাংবাদিক বৈঠক করেন রাহুল সিনহা৷ তিনি জানিয়েছেন, তৃণমূলের বিগ্রেড সমাবেশের ঠিক তিনদিন পর, অর্থাৎ ২৩ জানুয়ারি বিগ্রেডে সমাবেশ করবে বিজেপি৷ আর সেই পাল্টা সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

অর্থাৎ, শক্তি প্রদর্শনের ইস্যুতে রাজ্য বিজেপি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রাজ্যের শাসক দলকে৷ কারণ, মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে শক্তি প্রদর্শন কিন্তু সহজ কথা নয়৷ রাহুল সিনহা জানিয়েছেন, মোদীর সেই বিগ্রেড সমাবেশের আগে রাজ্যের প্রতিটি বুথে বুথে রথযাত্রা করবে বিজেপি৷ জনসংযোগ বাড়িয়ে রেকর্ড জমায়েতের চেষ্টা করা হবে৷ কিন্তু মাত্র তিনদিন আগের তৃণমূলের সমাবেশের থেকে জমায়েত বেশি করতে অনেক বেশি সংগঠনে জোর দিতে হবে বিজেপিকে৷ নতুবা, নরেন্দ্র মোদী প্রধান বক্তা হলেও মমতার ম্যাজিককে টেক্কা দেওয়া সম্ভব হবে না৷ সেক্ষেত্রে লোকসভার আগেই ব্রিগেডের ময়দানে নাক কাটা যেতে পারে বিজেপির৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here