EC_DILIP_TMC

ডেস্ক: কিছু বছর ধরেই রামনবমীকে ব্যাপকভাবে প্রচারে এনেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। বঙ্গে এই উপলক্ষ্যে বিভিন্ন জায়গায় প্রচার, মিছিল করে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়েছে পদ্ম। এবারেও তার কোনও ব্যতিক্রম নেই। গতবার অস্ত্র নিয়ে রামনবমীর মিছিল করায় শাসকদলের রোষে পড়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জলঘোলাও কম হয়নি। এবার ফের তলোয়ার, গদা হাতে দেখা গেছে দিলীপ ঘোষকে। অস্ত্র নিয়ে মিছিল করায় নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

এদিন অস্ত্র মিছিল নিয়ে দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেন, ‘খালি রসোগল্লা খাবো, হাতিয়ার ধরবো না, এটা হয় না। দরকার হলে রামকে নিয়ে রজনীতিই করবো, কারও হজম না হলে হোমিওপ্যাথি গোলি খাক।’ রামনবমী নিয়ে আগেই রাজ্যকে শান্ত রাখার বার্তা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

ভোটের মধ্যে এই ইস্যু নিয়ে যাতে কোনওরকম বিরোধ না হয় সেই দিকেও নজর ছিল। তা সত্ত্বেও কিভাবে বিজেপি নেতা অস্ত্র নিয়ে মিছিল করলেন, এই প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্যের শাসকদল।

তৃণমূলের এক নেতার কথায়, বিজেপি কোনও নিয়মই মানে না। কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকার দরুণ সব সংস্থাকেই হেলায় অপমান করে। নির্বাচনী আচরণবিধি তো দূর, সামান্য নিয়মও মানতে দেখা যায় না তাদের। এই মন্তব্য করে তিনি রাজ্য বিজেপি সভাপতির বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি করেন। এই প্রসঙ্গে অবশ্য দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, রামনবমীর সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। তাই এই বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানো অযৌক্তিক।

উল্লেখ্য, খড়গপুরে শনিবার রামনবমী উপলক্ষ্যে রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের অস্ত্র মিছিল সম্পর্কে কৃষ্ণনগরের এক কর্মীসভা থেকে তোপ দাগেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মন্তব্য করেন, নির্বাচন কমিশন কিছু করছে না। না হলে এতক্ষণ গোটা চারেক চিঠি পৌঁছে যেত তার কাছে। দিলীপকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘ও চেষ্টা করছে হিরো হওয়ার। এখন তো জিরো। অধিকারী যেই ওখানে যাবে ওমনি ও সেখানে হারবে। বাংলার মানুষ বুঝে গেছে কোনটা বিড়াল আর কোনটা বাঘ।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here