ডেস্ক: পঞ্চায়েত পূর্বেই রাজ্যজুড়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মাতল ঘাসফুল গোষ্ঠী। এবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা ঘটল হুগলী জেলার চন্দননগরে। তৃণমূলের এক কাউন্সিলরকে ব্যাপক মারধোরের ঘটনা ঘটল তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। বুধবার বিকেলে চন্দননগর পুরনিগমের আট নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শুভেন্দু মুখোপাধ্যায়কে ব্যপক মারধোর করেন পূর্ত দপ্তরের এমআইসি মুন্না আগরওয়াল।

সূত্রের খবর, ওইদিন বিকেলে আট নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়নের বিষয়ে অফিস টাইমে পুরনিগমের পূর্ত দপ্তরে কথা বলতে যান শুভেন্দুবাবু। সেখানেই মুন্না আগরওয়ালের সঙ্গে ঝামেলা বাধে শুভেন্দুবাবুর। প্রথমে কথাকাটাকাটি তারপর শুরু হয় মারধোর। ঘটনার জেরে চন্দননগর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন কাউন্সিলর শুভেন্দু মুখোপাধ্যায়। চন্দননগর থানার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুন্না আগরওয়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। যদিও গোটা ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন মুন্না আগরওয়াল। এই ঘটনার প্রতিবাদে চন্দননগর মেয়র অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের ১৫ জন কাউন্সিলর সহ দলের কর্মীসমর্থকরা।

অন্যদিকে, বুধবার রাত নাগাদ তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে রণক্ষত্রের চেহারা নেয় দক্ষিণ কলকাতার গোপালনগর মোড় এলাকা। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দুই যুবনেতা বিপ্লব মিত্র ও প্রতাপ সাহার বিরুদ্ধে। দুই গোষ্ঠীই একে অপরের বিরুদ্ধে দলীয় কার্যালয় ভাঙার অভিযোগে তুলেছে। আলিপুর থানায় ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করেছে দুই গোষ্ঠী। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here