kolkata news
Parul

নিজস্ব প্রতিনিধি : ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এদিন চরমে ওঠে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তার জেরে পদত্যাগ করেন পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্য। জটিলতা শীঘ্রই মেটানোর আশ্বাস মালদহের তৃণমূল নেতৃত্বের।

ads

মালদহের রতুয়া ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়। এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দেন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সাধন চক্রবর্তী। ঘটনার প্রতিবাদে ইস্তফা দেন সাধন। দলে যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকট, তা স্বীকার করে নেন তিনি। বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই রতুয়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। তিনি বলেন, এই আস্থা-অনাস্থার ঘেরাটোপে পঞ্চায়েত সমিতির কাজ ব্যাহত হচ্ছে। মানুষ আমাদের উন্নয়ন করার জন্য নির্বাচিত করেছিলেন। কিন্তু আমরা উন্নয়ন না করে শুধু আস্থা-অনাস্থার খেলায় মেতে উঠেছি। গত তিন বছর ধরে আমরা শুধু রাবার স্ট্যাম্প হয়ে বসে আছি। মানুষের হয়ে কাজ করতে পারিনি বলেই সদস্য থাকার কোনও অধিকার নেই। তাই পদত্যাগ করলাম।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যান ১৮ জন সদস্য। বিজেপির বিপর্যয়ের পর তাঁরা ফিরে আসেন তৃণমূলে। বিজেপি ছেড়ে তাঁরা তৃণমূলে ফিরতেই চরমে ওঠে গোষ্ঠীকোন্দল। যার জেরে এদিনের ঘটনা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, দলবদলুদের তৃণমূলে ফেরাকে কেন্দ্র করে মালদহের তৃণমূল ব্লক সভাপতি ফজলুর রহমান ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হেসামুদ্দিনের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়েছে। তার জেরে বন্ধ হয়ে রয়েছে সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ। তাই পদত্যাগ করে সাধন দলকে বার্তা দিলেন বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here