ফের প্রকাশ্যে গোষ্ঠীকোন্দল! হাজি সাহেবের বাড়ির সামনে পাঁচিল দিতে গিয়ে আক্রান্ত তৃণমূল নেত্রী

0
121
kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, ভাঙড়: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল! এবার হাজি সাহেবের বাড়ির সামনে পাঁচিল তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন তৃণমূল নেত্রী তথা জেলা পরিষদ সদস্যা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় থানার ঘটকপুকুরে। পুলিশ জানায়, তৃণমূল নেত্রী খাদিজা বিবিকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী কাইজার আহমেদের বিরুদ্ধে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটকপুকুর বাজার এলাকার বাসিন্দা খাদিজা বিবি। তাঁর পাশের বাড়িতেই থাকেন বারিক মোল্লা নামে এক হাজি সাহেব। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে জমি নিয়ে বিবাদ রয়েছে। ওই বিতর্কিত জমিতে ১৪৪ ধারাও জারি রয়েছে। সম্প্রতি বারিক মোল্লা হজে গিয়েছেন। সেই সুযোগেই এদিন খাদিজা বিবি তাঁর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বারিক মোল্লার বাড়ির মেন গেটের সামনে থেকে পাঁচিল তুলতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়েই খাদিজা বিবির বিরুদ্ধ গোষ্ঠী কাইজার আহমেদের অনুগামী তথা ভাঙড়-১ ব্লকের তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল মোল্লা দলবল নিয়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন। খাদিজা বিবির কাছে বিতর্কিত জমির ওপর পাঁচিল দেওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করেন আয়নাল মোল্লা এবং এই নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ওই বাগবিতণ্ডার মধ্যেই আয়নালের লোকজন পাঁচিলটি ভেঙে দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ। খাদিজা বিবি এবং তাঁর ছেলে বাধা দিতে গেলে তাঁদের মারধর করা হয় বলেও আয়নাল মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

কাইজার আহমেদের নির্দেশে আয়নাল মোল্লা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে অভিযোগ করে খাদিজা বিবি বলেন, ‘আমরা আমাদের জায়গায় পাঁচিল দেওয়ার কাজ করছিলাম। কিন্তু কাইজার আহমেদের নির্দেশে আয়নাল মোল্লারা দলবল নিয়ে এসে আমাদের পাঁচিল ভেঙে দেয়। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে ও আমার ছেলেকে মারধর করে।’ যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে আয়নাল মোল্লা বলেন, ‘খাদিজা বিবি মিথ্যা অভিযোগ করছেন। তিনি অন্যের জমির গেটের সামনে জোর করে পাঁচিল তুলে দিচ্ছিলেন। আমরা খবর পেয়ে তাকে বারণ করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু উনি আমাদের কথা না শুনে গালাগাল দিতে থাকেন। সেই কারণে স্থানীয় লোকজন ক্ষেপে গিয়ে পাঁচিল ভেঙে দেয়। এই ঘটনার সঙ্গে আমরা কোনোভাবেই জড়িত নই। তাঁকে মারধরও করা হয়নি।’ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here