নিজস্ব প্রতিবেদক, কোচবিহার: তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে আক্রান্ত হলেন দলেরই বুথ সভাপতি। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার-১ ব্লকের চান্দামারি এলাকায়। আহত ওই ব্যক্তির নাম কনক বর্মণ। তিনি চান্দামারি এলাকার ৪/১০৩ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রসের সভাপতি। গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে তিনি কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযোগ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের অনুগামিদের বিরুদ্ধে।

আহত তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি কনক বর্মণের ভাই জনক বর্মণের অভিযোগ, তার দাদা চাঁদামারি তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি হলেও তিনি কোচবিহার দক্ষিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামীর নেতৃত্বে দল করেন। পঞ্চায়েত নির্বাচন দলের হয় মনোনয়ন পত্র জমা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সদ্য বিজেপি থেকে তৃণমূল আসা কিছু সমাজবিরোধী, যারা রবীন্দ্রনাথ ঘোষের হাত ধরে তৃণমূল আসে, তাদের মধ্যে পদেন বর্মণকে দলের তরফে টিকিট দেওয়া হয়। শনিবার সকালে পদেন বর্মণের নেতৃত্বে একদল দুস্কৃতি আমাদের বাড়ীতে ঢুকে দাদাকে মারধর করে। ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে। দাদা কোন ভাবে শেখান থেকে পালিয়ে প্রানে বেঁচে যায়।’

কনকের অভিযোগ তার ভাই মিহির গোস্বামীর নেতৃত্বে দল করে বলে রবীন্দ্রনাথ ঘোষের লোক তাদের উপর আক্রমণ করেছে। বিষয়টি নিয়ে কোচবিহার কোতওয়ালী থানায় অভিযুক্ত পদেন বর্মণ সহ তার অনুগামিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা করেছে কনক বর্মণের পরিবার। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরুও করেছে। তবে এই ঘটনা আবার প্রমান করে দিল তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও দক্ষিন বিধান সভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামীর মধ্যে বিবাদ চট করে মেটার নয়।