kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, বারুইপুর: ভোটে মাংস! তাও আবার শত শত লোককে। ভাবা যায়? কার আছে আজকের যুগে এতখানি করার আর্থিক ক্ষমতা? তিনি ভাঙড়ের বিতর্কিত পঞ্চায়েত প্রধান মোদাসের হোসেন। ভোটের দিন জমিয়ে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করলেন ভাঙড়ের বিতর্কিত পঞ্চায়েত প্রধান মোদাসের হোসেন। আর তা নিয়ে বিতর্ক ছড়াতে বেশি সময় লাগলো না।

রবিবার সপ্তম তথা শেষ দফা ভোটে দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার সব চেয়ে আলোচিত নাম হয়ে উঠে এল ভাঙড়ের ভোগালি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তথা তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মোদাসের হোসেন। মোদাসের কাঁঠালিয়া পূর্ব পাড়াতে তার বাড়ির সামনে শনিবার রাত থেকে ত্রিপল খাটিয়ে রান্নাবান্না শুরু করেন। রবিবার ভোটের কাজের মাঝে মাঝে এসে সেই মাংস চেখেও যাচ্ছিলেন দলীয় কর্মীরা। চলছিল মাংস-ভাত বিলিও। মোদাসের ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন ভোগালী-২ অঞ্চলে যে ১৭টি বুথ আছে সেই সকল বুথের সক্রিয় তৃণমূল কর্মী ও ভোটারদের জন্য দুপুরে মাংস, ভাত খাওয়ানোর আয়োজন করা হয়েছ। সাদা ভাত, মাংসের পাশাপাশি ডাল, আলুপোস্তও ছিল মেনুতে।

জানা গিয়েছে, ভোগালী-২ অঞ্চলের ১৭টি বুথে মোট সাড়ে চোদ্দ হাজার ভোটার থাকলেও চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষের খাওয়ানোর আয়োজন করেন মোদাসের। সে কথা প্রকাশ্যে স্বীকারও করেছেন এই বিতর্কিত নেতা। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে মানুষ ভোট উৎসবে সামিল হয়েছে। তারা রান্না করার সময় পাননি। তাই তাদের দু-মুঠো খাওয়ার জন্য এই আয়োজন করা হয়েছে।’ এর মধ্যে অন্যায় বা আপত্তি কিছু দেখছেন না তিনি। এই মোদাসের ‘এক হাতে কৃষক বন্ধুর চেক নিয়ে অন্য হাতে মিমি চক্রবর্তীকে ভোট দেওয়ার’ কথা বলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। বুথে সিপিএম এজেন্ট বসতে না দেওয়ার নিদান দিয়েও তিনি নির্বাচন কমিশনের কোপে পড়েছিলেন। এখন দেখার বিষয় এদিনের মাংস ভাত নিয়ে কমিশন কি পদক্ষেপ নেয়!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here