bengali news
tmc sit on position

Highlights

  • সিএএ-র প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান কর্মসূচি
  • বিধানসভা ক্ষেত্রে অবস্থান বিক্ষোভ তৃণমূল বিধায়কদের
  • অবস্থান মঞ্চ থেকে সিএএ-এনআরসি-র বিরুদ্ধে সোচ্চার বিধায়করা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে আন্দোলনের সুর বেঁধে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিএএ-র প্রতিবাদে পাঁচবার কলকাতার রাস্তায় নেমে মিছিল করেছেন তিনি। দলনেত্রীর নির্দেশেই এবার রাজ্যের ব্লকে ব্লকে অবস্থান কর্মসূচি তৃণমূল কংগ্রেসের। কলকাতার বিভিন্ন  বিধানসভা ক্ষেত্অবস্থানে বিক্ষোভে বসেন তৃণমূল বিধায়করা। খিদিরপুরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, লেকটাউন ভিআইপি রোডে ঘড়ি মোড়ে অবস্থানে বসেন সুজিত বসু। উপস্থিত ছিলেন বিধাননগর পুর নিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা। অন্যদিকে এন্টালিতে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল স্বর্ণকমল সাহা, সাধন পাণ্ডে, চৌরঙ্গি বিধানসভা ক্ষেত্রে অবস্থানে বসেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন বেহালা সখের বাজারে সকাল ১০টা থেকেই ধর্ণা ম়ঞ্চে অবস্থানে বসেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন পার্থবাবু অভিযোগ করেন এনআরসি-এনপিআর-সিএএ সব এক। বিজেপি মানুষকে ভুল বোঝানোরে চেষ্টা করছে কোথাও কোথাও। উদ্বাস্তু সেলের নাম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। প্রসঙ্গত রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এরই প্রেক্ষিতে জবাব শিক্ষামন্ত্রীর। বিজেপির টার্গেট এদেশের জনগণ। বাংলাকে অশান্তির মধ্যে ফেলাই বিজেপির প্রধান টার্গেট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই প্রথম অসমে এনআরসি পর সরব হন। বিধানসভায় আইন পাস করান। তাই মানুষে মানুষে ভাগাভাগি করে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা বিজেপির।

একইসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর দাবিকেও নসাৎ করে বলেন, ওদের কথা কেউ শুনছে না। কেউ যায় না ওনাদের কাছে। ওনাদের এসবের সময় আছে আমাদের নেই। কটাক্ষ পার্থর। প্রসঙ্গত, সোমেন মিত্রর অভিযোগ ছিল যে, একদিকে তৃণমূল আন্দোলন করছে অন্যদিকে বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করে রাজীব কুমারকে ছাড়িয়ে আনছে। এরই জবাব দেন পার্থবাবু।

এদিন শ্যাম বাজারে ধর্ণা র নেতৃত্ব দিচ্ছেন শশী পাঁজা, হাওড়ার অপূর্ব রায়, রাসবিহারীতে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। মূলত নিজ নিজ কেন্দ্রে অবস্থান কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন তৃণমূল বিধায়করা।

প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতা করে পর পর তিন দিন মহা মিছিলে হাঁটেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোট পাঁচবার কলকাতার রাস্তায় নেমে মিছিল করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আন্দোলন মঞ্চ থেকেই তৃণমূলনেত্রী সাফ করে দেন, সিএএ-বিরোধী আন্দোলন জারি থাকবে। বিভিন্নরকম কর্মসূচি পালন করবে তৃণমূল কংগ্রেস। নেত্রীর নির্দেশ মতই আজ রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা ক্ষেত্র অবস্থান প্রদর্শন করেন তৃণমূল বিধায়করা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here