news bengali

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘মুখ্য সচিবের উদ্দেশ্যে দেওয়া কেন্দ্রীয় দলের চিঠি ভুলে ভরা।’ শনিবার এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল সাংসদ তথা ইন্ডিয়ান মেডিকেল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শান্তনু সেন। শুক্রবার থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত মোট চারটে চিঠি মুখ্যসচিব রাজিব সিনহার উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় দল। একটি চিঠির উত্তর রাজ্যের তরফে দেওয়া হয়নি। এই মর্মে এদিন ফের মুখ্যসচিবের উদ্দেশ্যে জোড়া চিঠিতে অভিযোগ জানান কেন্দ্রীয় দলের নেতৃত্বে থাকা অপূর্ব চন্দ্র। এদিকে কেন্দ্রীয় দলের চিঠিতেই অসঙ্গতি রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন শান্তনু সেন।

এই প্রসঙ্গে সাংসদ শান্তনু সেনের অভিযোগ, ‘কেন্দ্রীয় দলের কর্মকাণ্ড এবং রাজ্যে আসার পদ্ধতির সমস্তটাই ভুলে ভরা। তারা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।’ নাম না করে বিজেপির উদ্দেশ্যে এই সাংসদ বলেন, ‘চিঠির মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রীয় দল বিশেষ রাজনৈতিক দলের মত কথা বলছে। কেন্দ্রীয় দল রাজ্যপালের মত কথা বলছে।’ কেন্দ্রীয় দল অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এম আর বাঙ্গুর হাসপাতাল ১২টি ভেন্টিলেটর রয়েছে, এবং সেখানে রোগী রয়েছে ৩৫৪ জন যা পর্যাপ্ত নয়। এই প্রসঙ্গে শান্তনু সেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মিথ্যে তথ্য দিচ্ছে কেন্দ্রীয় দলের প্রতিনিধিরা। এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে এই মুহূর্তে ২৩টি ভেন্টিলেটর রয়েছে কিন্তু কেন্দ্রীয় দল জানাচ্ছে মাত্র ১২ টি রয়েছে।’

অন্যদিকে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতলে এখন রোগীর সংখ্যা ১০১ জন। ক্ষেত্রেও সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৫৪জন বলা হচ্ছে। বাংলার মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় দলের ক্ষমা চাওয়া উচিত। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এত দেরি করে আসছে কেন জানতে চেয়ে মুখ্য সচিবকে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় দল। এই প্রসঙ্গে ফের কেন্দ্রীয় দলের দ্বিচারিতা করছেন বলে মতপ্রকাশ করেন শান্তনু সেন। তিনি জানান, ‘কেন্দ্রীয় দল যখন বলছে রিপোর্ট দেরীতে আসছে তখন তাদের এটাও উল্লেখ করা উচিত যে নাইসেডের কিট খারাপ ছিল। সেই কারণে রিপোর্ট আসতে দেরি হচ্ছে।’

একইসঙ্গে নাইসেডের ভুল কিট ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘কিট ভুল এসেছে সেগুলো ফেরত পাঠানো হয়েছে। আগের কিট গুলিও যে ঠিক ছিল তার কি প্রমাণ আছে ?’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন ‘যাদের ওই ভুল কিটে পরীক্ষা হয়ে মিথ্যে নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে তারা কিভাবে সমাজের ক্ষতি করছে তা চিন্তার বাইরে।’ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল বিজেপির সাথে পরিকল্পিতভাবে এক সুরে গান গাইছেন বলে দিন তাদের কটাক্ষ করেন শান্তনু বাবু। অন্যদিকে নিজাম উদ্দিনের জমায়েত প্রসঙ্গে দিল্লির প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here