ওনাকে ডেকে সঠিক দিকনির্দেশ করুন, ধনকড়কে বাগে পেতে অমিতকে নালিশ সুদীপের

0
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাজ্যপালের সঙ্গে বিরোধ এবার নয়াদিল্লি পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন তৃণমূলের সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালের নামে সোজা নালিশ ঠুকেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। জগদীপ ধনকড় নিজের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সমান্তরাল প্রশাসন চালানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন উত্তর কলকাতা সাংসদ। বস্তুত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগই প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর গলায়। অন্যদিকে রাজ্যপাল বরাবরের মতোই বলছেন, আমি তো কিছুই করিনি।

রাজ্যে আসার পর থেকেই বেশ কিছু জায়গায় ‘অতিসক্রিয়’ ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছে রাজ্যপালকে। নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় তিনি আবার সোজা কেন্দ্রীর সরকারের কাছে ‘আব্দার’ করে আধাসেনা মোতায়েন করিয়ে নিয়েছেন। আর সেই আধাসেনাকে পাশে পেয়ে যখন খুশি যেখানে চলে যাচ্ছেন। রাজ্যকে জানানোর প্রয়োজনও মনে করছেন না। অমিত শাহকে খানিকটা এই সুরেই অভিযোগ করেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এহেন অবস্থায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উচিত রাজ্যপালকে ডেকে সঠিক দিক নির্বাচন করে দেওয়া। এই দাবি জানিয়েছেন সুদীপ। তাঁর কথায়, ‘সংসদীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গিয়ে রাজ্যপাল একটা সমান্তরাল প্রশাসন চালাচ্ছেন। সেই কারণে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি, আপনি রাজ্যপালকে ডেকে সঠিক দিকনির্দেশ করুন।’

বস্তুত, সেই যাদবপুর কাণ্ডের সময় থেকে রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের যে বিরোধিতা শুরু হয়েছে, তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন বেড়েই চলেছে। নানা সময়ে নানা ভাবে নিয়মিতভাবে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে কেন্দ্রের প্রশংসায় ভেসেছেন তিনি। কেন্দ্র ধোয়া তুলসীপাতা, যত দোষ রাজ্যের। খানিকটা এই মনোবৃত্তি নিয়েই যেন রাজভবনে ঢুকেছেন ধনকড়। অভিযোগ তৃণমূলের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নাম না করে দিনচারেক আগে বলেছিলেন, কিছু কিছু মানুষ বিজেপির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে। তাঁর নিশানায় যে রাজ্যপালই ছিলেন সেটা বুঝতে অসুবিধা হয়নি। তবে শাসকদলের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জগদীপ ধনকড় বলছেন, আমি কিছুই করিনি। আমি আমার কাজটা করছি খালি। আমি তো কোনও মন্ত্রকে নেই। তাহলে কীভাবে সমান্তরাল প্রশাসন চালাবো?

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here