kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, বসিরহাট: ফের উত্তেজনা ছড়াল বসিরহাটে। এবার পুকুর থেকে এক তৃণমূল কর্মী মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে বসিরহাটের মহকুমার হাড়োয়া ব্লকের গোপালপুর-২ অঞ্চলের আমতা গ্রামে। পুলিশ জানায়, মৃতের নাম মজিবর মোল্লা (৪৩)। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনায় স্থানীয় সিপিএম নেতা সবেবরাত মোল্লা ও তার ছেলে মধু মোল্লার দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। মজিবর মোল্লার মৃত্যুর পিছনে মাছের ভেড়ি দখলের রাজনীতি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত মজিবর মোল্লা বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর বাড়ির অদূরে মসজিদের সামনের পুকুর থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গ্রামবাসীরাই প্রথমে পুকুরে মৃতদেহটি ভাসতে দেখেন। তবে সেটি মজিবরের কিনা তা তখনও স্পষ্ট ছিল না। তারা স্থানীয় থানায় খবর দেয়। তারপর হাড়োয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে দেহটি উদ্ধার করতেই বোঝা যায়, সেটি মজিবরের দেহ। তবে তাঁর দেহ পুকুরে কীভাবে এল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মজিবরের পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই তাঁকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকার কুখ্যাত সিপিএম নেতা সবেবরাত মোল্লা ও তার ছেলে মধু মোল্লার বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে তারা। মাছের ভেড়ি নিয়ে সবেবরাতের সঙ্গে মজিবরের প্রায়ই গণ্ডগোল লেগে থাকত বলেও স্থানীয় বাসিন্দারাও জানিয়েছেন। ঘটনার তদন্তে মজিবরের দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

সবেবরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। এর আগেও সবেবরাতের বিরুদ্ধে থানায় অনেক অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে হাড়োয়া থানার পুলিশ জানিয়েছে। আমতা খাঁটরা গ্রামের মাছের ভেড়িকে কেন্দ্র করে সেখানে রাজত্ব করত সবেবরাত। ওই মাছের ভেড়িকে কেন্দ্র করে সবেবরাতের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগও রয়েছে। তাই মজিবরের খুন হওয়ার পিছনেও মাছের ভেড়ি দখলের রাজনীতি রয়েছে কিনা সে ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here