FotoJet-60

ডেস্ক: ভোটযুদ্ধের বাইরেও চলছে আরেকটা যুদ্ধ। যা শুরু হয়েছে দীর্ঘদিন আগেই। নরমে-গরমে সেই যুদ্ধ একেবারে চরম পর্যায়ে এসেছে পৌঁছেছে। তা হল, রাজ্য বনাম কেন্দ্র সংঘাত। ভোটের মরসুমেও যা অব্যাহত। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে আচমকাই বদলে ফেলা হয়েছে রাজ্যের একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশকর্তাকে। যা মোটেই ভালোভাবে নেয়নি রাজ্য। নবান্নের তরফে তা আগেই জাহির করা হয়েছিল। এবার পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবেকে নিয়েও আপত্তি তুলল তৃণমূল।

প্রাথমিকভাবে রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে কেকে শর্মাকে নিয়োগ করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কর্তব্যরত অবস্থায় তিনি আরএসএসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন, এই ছবি দেখিয়ে তাঁর নিয়োগ আটকে দেন তৃণমূল নেত্রী। এরপর একই ভুমিকায় নিয়োগ করা হয় বিবেক দুবেকে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে বেশ কয়েকদিন কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। প্রথম দফার ভোটও মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে সাঙ্গ হয়েছে। এবার বিবেক দুবের ইতিহাসের কথা টেনে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিবেকের ইতিহাস ঘেঁটে তাঁর পুরনো মামলা টেনে এনে শাসকদলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কেন এমন একজনকে বাংলার দায়িত্ব হয়েছে যার ‘ইতিহাস’ ঠিক নেই?

এখানেই শেষ নয়। ভোটের এক সপ্তাহ বাকি থাকতেই কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা একাধিক পুলিশ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়, সেই প্রশ্নও তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৫ এপ্রিল সবাইকে চমকে দিয়ে কলকাতা সহ রাজ্য পুলিশে বড়সড় রদবদল করে নির্বাচন কমিশন। একটি নোটিশ জারি করে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে অনুজ শর্মাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সরিয়ে দেওয়া হয় আরও চার শীর্ষ আইপিএস কর্তাকে। কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পাশাপাশি রাজ্যের দুই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলার পুলিশ সুপারকেও বদলে দেয় নির্বাচন কমিশন। সরিয়ে দেওয়া হয় ডায়মন্ড হারবার ও বীরভূম জেলার দুই এসপিকেও। যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোটেই খুশি নন। এদিন তৃণমূলের পাঠানো চিঠিতে তা আরও একবার সাফ হয়ে গেল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here