kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ভাঙড়: কিছুতেই লাগাম টানা যাচ্ছে না ভাঙড়ের তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে। মাদার তৃণমূলের একাধিক গোষ্ঠীর লড়াই সর্বজনবিদিত। এবার তার সঙ্গে যোগ হল যুব বনাম মাদার তৃণমূলের লড়াই। এই লড়াইয়ে রাশ টানতে কয়েকদিন আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি তথা ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকত মোল্লাকে ভাঙড় দেখার দায়িত্ব দেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অর্থাৎ আরাবুল ইসলাম, রেজ্জাক মোল্লা, কাইজার আহমেদ, নান্নু হোসেন, ওহিদুল ইসলামের মাথার ওপর বসানো হয় সওকত মোল্লাকে।

ভাঙড়ের ভূমিপুত্র নন এমন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ার পর সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই আদি বনাম মাদার তৃণমূলের লড়াইয়ে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল ঘটকপুকুর। এই লড়াইয়ে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। চলে যথেচ্ছ ভাঙচুর। বোমার আঘাতে ভাঙড় ১ ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি বাদল মোল্লা মারাত্মক জখম হয়েছেন। অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কলকাতার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বোমায় জখম হয়েছেন আরও সাতজন। এক যুব নেতার মাথা ফেটেছে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে ভাঙড়ের ঘটকপুকুর সংলগ্ন মরিয়া গোবিন্দপুর এলাকায়। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে এদিন রণক্ষেত্রের চেহারা নেওয়ার পর পর ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় ঘটকপুকুরে। লোকজন আতঙ্কে ছোটাছুটি করতে শুরু করে। খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিশ। পরিস্থিতি থমথমে থাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ পিকেট।

জানা গিয়েছে, ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ বনাম যুব সভাপতি বাদল মোল্লার অনুগামীদের মধ্যে এদিন ঝামেলা বাধে। যুবনেতা বাদল মোল্লা নেতৃত্বে এদিন মরিয়া গোবিন্দপুর এলাকায় মিছিল করে ত্রিপল-সহ অন্যান্য ত্রাণের জিনিসপত্র বিতরণ করা হয়। সেই কাজ শেষে আবার মিছিল করে এলাকায় ফেরার সময় একটি দোকানের ছাদ থেকে বাদলকে লক্ষ্য করে কয়েকটি বোমা ছোড়া হয়। অভিযোগ, কাইজার আহমেদ অনুগামী খোকন, নাসির মোল্লারা এই কাজ করেছে। এলাকার কর্তৃত্ব কার হাতে থাকবে তাই নিয়ে দিন ঝামেলা বলে জানা গিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here