ডেস্ক: বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদের অনাস্থার জেরে রীতিমতো অচলাবস্থা চলেছিল সংসদে। বাজেটের পর বুধবার থেকে সংসদে শুরু হচ্ছে বাদল অধিবেশন। এই অধিবেশনেও বিরোধীরা অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারেন বলে জানা গিয়েছে রাহুল গান্ধীর তরফ থেকে। ফলে এই অধিবেশনে যে শাসক বিরোধী লড়াই জারি থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এই অধিবেশনেও অনাস্থা ইস্যুতে তোড়জোড় শুরু হয়েছিল মঙ্গলবার থেকেই অনাস্থা নিয়ে স্পিকার সুমিত্রা মহাজনের কাছে ইতিমধ্যে নোটিশও জমা দিয়েছে তেলেগু দেশম পার্টি। কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খার্গে গতকালই সাংসদে জানিয়েছিলেন, অনাস্থা নিয়ে বাকি বিরোধী দলগুলির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। বিরোধীরাও স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, তাঁরা অধিবেশন চালাতে রাজি তবে নিয় ভেঙ্গেছে বিজেপি। স্পিকার যেন মোদীকে চিঠি লিখে জানান, এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। এই চিঠিকে সমর্থন জানিয়েছে, কংগ্রেস, সিপিএম, সমাজবাদী পার্টি, এনসিপি, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ, আরজেডির মতো দলগুলি। মঙ্গলবার সকালে একটি সর্বদলীয় বৈঠকও ডেকেছিলেন স্পিকার সেখানে বিজেপিরে বিরুদ্ধে তোপ দাগে শিবসেনা। বলা হয়, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর গুজবকে কেন্দ্র করে হিংসা ও মৃত্যুর ঘটনা বেড়েছে। উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুও একটি বৈঠক ডেকে বিরোধীদের অনুরোধ করেন, এই বৈঠকে বাজেট অধিবেস্নের মতো অচলাবস্থা তৈরি না হয়।

এই অধিবেশন যদি ঠিকঠাক ভাবে এগোয় সেক্ষেত্রে এই অধিবেশনে ১৮ টি নত