kolkata news
Parul

নিজস্ব প্রতিনিধিসংগঠনের হাল ভাঙা নৌকার মতো। যে কোনও দিনই নামতে পারে বড়সড় ধস। দল ভেঙে বেরিয়ে যেতে পারেন দলবদলুদের একটা বড় অংশ। মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার পর এই আশঙ্কার মেঘই ক্রমেই জমছে। এই অবস্থায় উপনির্বাচন হলে সমূহ বিপদ। তাই তৃণমূল সুপ্রিমোকে রুখতে নয়া ছক কষছেন গেরুয়া নেতৃত্ব।

ads

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র ছেড়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির তরফে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হন শুভেন্দু অধিকারী। হাজার দুয়েক ভোটে হেরে যান মমতা। যদিও এই ঘোষণার কিছুক্ষণ আগেই জয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল মমতাকে।এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা।

মমতা ছাড়া আশাতীত সাফল্য অর্জন করেছে তৃণমূল। স্বাভাবিকভাবেই তারা চাইছে দ্রুত উপনির্বাচন করাতে। রাজ্যের চারটি আসনে উপনির্বাচন করতে হবে। দুটি সাধারণ নির্বাচনও বাকি। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির বেশ কিছুটা উন্নতি হয়েছে রাজ্যে। তাই এই সময়ই ভোট করানোর পক্ষপাতী তৃণমূল নেতৃত্ব। সেজন্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থও হয়েছেন তাঁরা।

সূত্রের খবর, তৃণমূল চাইলেও, এই মুহূর্তে ভোট করানোর পক্ষপাতী নন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। কারণ অগোছালো সংগঠন। দলবদলুদের একটা বড় অংশ ফিরতে পারেন পুরানো দলে। বিজেপিরও কয়েকজন গিলতে পারে শাসক দলের টোপ! সর্বোপরি, উপনির্বাচনে বরাবরই ফল ভালো হয় শাসকদলের। তাই এখনই নির্বাচন হলে ভরাডুবির আশঙ্কা থেকেই যায়। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, সেই কারণেই বিজেপির আশু লক্ষ্য যেন-তেন-প্রকারেন নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া। করোনা পরিস্থিতির অজুহাতে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া গেলেই কেল্লাফতে। বিজেপির এই চালে তৃণমূলের কিস্তিমাত হয় কি না, সেটাই দেখার!  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here