weather news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ রবিবার তা নামল আরও একধাপ৷ সপ্তাহান্তে কনকনে ঠান্ডা কাবু করল কলকাতা সহ গোটা রাজ্যকে৷ দেশজুড়ে গত কয়েকদিন তাপামাত্রার পারদ নামার খবর ইতিমধ্যেই সকলের জানা৷ দিল্লি, রাজস্থান, লাদাখে চড়চড় করে নেমেছে তাপমাত্রার পারদ৷ সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শহরেও আরও একধাপ নামল তাপমাত্রা৷ রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর৷ রাতের দিকে শীত আরও জাঁকিয়ে পড়তে পারে বলেই খবর৷ সঙ্গে বইবে কনকনে উত্তরের হাওয়া৷ এদিকে সোমবার থেকে তাপমাত্রার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ তবে নতুন বছরের শুরুতেই দেখা মিলতে পারে বৃষ্টির৷

পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোয় ইতিমধ্যেই পারদ নেমেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পুরুলিয়ায় রাতের তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পশ্চিমের বাকি জেলাগুলিতেও রাতের তাপমাত্রা ৭-৮ ডিগ্রির কাছে পিঠে ঘোরাফেরা করছে। উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়িতে এ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তরাই-ডুয়ার্সেও রাতের তাপমাত্রা ৮-৯ ডিগ্রির কাছাকাছি রয়েছে। তবে আবহবিদদের মতে, এই শীত বেশিদিন দীর্ঘায়িত হবে না। আরও একটি শক্তিশালী পশ্চিমি ঝঞ্ঝা কাশ্মীরে ঢুকছে। তার প্রভাবে ফের বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়বে। যার জেরে তাপমাত্রা বাড়বে গোটা দেশেই। কিন্তু রাতে পারদ কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা অনেকটাই কম থাকবে।

শনিবার ছিল রাজধানীর শীতলতম দিন৷ ওইদিন সকাল ৬:১০ নাগাদ দিল্লির রাজপথে তাপমাত্রা ছিল ২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সঙ্গে ছিল ঘন গাঢ় কুয়াশা। ১৫০ মিটারের বেশি দেখা যাচ্ছিল না কোনও কিছুই। যার জেরে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে চারটি বিমানকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে মাইনাসে নেমে গিয়েছিল রাজস্থানের বেশ কয়েকটি জায়গার পারদ৷ উত্তরপ্রদেশে এই কনকনে ঠান্ডার কারণে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের৷ শৈত্যপ্রবাহের জেরে এরমধ্যেই কানপুরেই মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here