ডেস্ক: ভারতীয় সেনাকে বিপাকে ফেলতে পাকিস্তানের জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মেলানো নতুন নয়। কেন্দ্রীয় গোয়ান্দা তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মাটিতে ঘটা প্রত্যেকটি জঙ্গি হামলার পিছনে প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের। তবে এবার স্থল সেনার বাইরে বেরিয়ে ভারতের শক্তিশালী নৌসেনার উপর হামলার সিদ্ধান্ত নিল আইএসআই এবং এই জঙ্গি হামলার পুরো প্ল্যান তৈরি করেছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। জানা গিয়েছে, ভারতীয় নৌ সেনায় বড়সড় আঘাত হানতে আত্মঘাতী ডুবুরি বাহিনী তৈরি করেছে জইশ-ই-মহম্মদ।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে পেশ করা এক গোয়ান্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, পাক সেনা, ও আইএসআইয়ের মদতে ভারতীয় নৌসেনার যুদ্ধ জাহাজগুলিতে হামলা চালানোর চরম প্রস্তুতি নিচ্ছে পাক জঙ্গি সংগঠন জইস। এই হামলার জন্য আত্মঘাতী ডুবুরিদের প্রশিক্ষন দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে। এই জঙ্গি বাহিনিকে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে কিভাবে যুদ্ধজাহাজের আশেপাশে মাইন ও ফাঁদ পাতা হয়। প্রয়োজনে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের মাধ্যমে পুরো জাহাজটাকে কিভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, জঙ্গিরা মূলত টার্গেট করেছে ভারতের নিউক্লিয়ার সাবমেরিন, আইএনএস অরিহন্ত ও আইএনএস আরিঘাত রণতরীকে। এই তিন যুদ্ধজাহাজ বর্তমানে ভারত্যের বিশাখাপত্তনমে রয়েছে। গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই যুদ্ধ জাহাজ গুলির নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি নৌসেনার আধিকারিকদের দাবি, হামলা চালানো অতটা সহজ নয়। যুদ্ধ জাহাজগুলির সুরক্ষার জন্য বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় ব্যবহার করে সেনা। একাধিক অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ফলে জলের নিচে থাকা যেকোনো ধরনের গতিবিধি নজর এড়াবে না সেনার। তাছাড়া, বিমানবাহী রণতরীগুলিকে ঘিরে থাকে সাবমেরিন ও একাধিক ‘আন্ডার ওয়াটার মনিটরিং সিস্টেম’। ফলে কোনওরকম বহিঃশত্রুর আক্রমণ সহজেই ধরা পড়বে নৌসেনার অত্যাধুনিক যন্ত্রে।

 

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here