মহানগর ওয়েবডেস্ক: লোকসভা ভোটে রাজ্যে ঘাসফুলের দাপট কমিয়ে পদ্মফুল ফোটাতে সফল হয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। যার জন্য তাঁদের হাতে উঠে আসে ১৮ টি লোকসভা আসন। তারপরেই গেরুয়া শিবিরের টার্গেট হয়ে ওঠে টালিগঞ্জ পাড়া। একে একে নামজাদা বড় বড় শিল্পীদের বিজেপিতে প্রবেশ করিয়ে তৃণমূলের সঙ্গে সিনেপর্দার তারকাদের নিয়ে বাস্তবের যুদ্ধে নামেন দিলীপ-মুকুল বাবুরা। কিন্তু কিছুদিন আগেই বিজেপি টলিপাড়াতে যে শক্তিবৃদ্ধি করেছিল তা ইম্পার নির্বাচনেই ধরাশায়ী হয়ে গিয়েছে।

গত দু’দিন আগেই টলিপাড়াতে ২১ টি আসনের নির্বাচনের হয়। টলিপাড়াতে রাশ কার হাতে থাকবে? বিজেপি নাকি তৃণমূল এই ছিল ভোটের মূল উদ্দেশ্যে। সেই নির্বাচনেই এবার বিপুল ভোটে জয় পেয়ে ফের টলিপাড়াতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখল তৃণমূল। টলিউডের দায়িত্বে তৃণমূল ২১ টি আসনের সবকটিতেই জিতে যাওয়ায় চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলী ও টেকনিশিয়ানদের ফোরামের দায়িত্ব ফের পেয়েছে রাজ্যের শাসকদল। এই নির্বাচনে টলিউডের বেশকিছু কলাকুশলিরতা বড় পদ পেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। অপরদিকে বিজেপির ঝুলিতে একটিও আসন উঠে আসেনি বলে জানা গিয়েছে। যদিও রাজ্যে টলিপাড়ার দখল নিতে বিজেপি ইতিমধ্যেই তিনটি সংগঠন বানিয়েছে।

মুকুল রায়-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত শঙ্কুদেব পাণ্ডার একটি সংগঠন ‘বঙ্গীয় চলচ্চিত্র পরিষদ’। দ্বিতীয়টি হল দিলীপ ঘোষ দ্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত অগ্নিমিত্রা পলের একটি সংগঠন নাম ‘ইস্টার্ন ইন্ডিয়া টেলি সিনে টেকনিশিয়ান অ্যান্ড আর্টিস্ট ফেডারেশন’ আর তৃতীয়টি অভিনেত্রী অঞ্জনা বসুর সংগঠন যিনি বিজেপিতে যুক্ত ছিলেন। তাঁর সংগঠনের মাথায় রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল। এই সংগঠনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘খোলা হাওয়া’। এদের মধ্যে কাউকেই একটি আসন পেতে দেখা যায়নি টলিপাড়াতে। গতকাল টলিপাড়াতে এই জয়ের জন্য বিজেয়ী প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here