FotoJet1206

ডেস্ক: প্রত্যেক পাঁচ বছর অন্তর দেশজুড়ে সাংসদ হওয়ার জন্য ভোট যুদ্ধে নামেন প্রার্থীরা। এলাকার উন্নয়ের জন্য সাংসদ তহবিলের টাকার মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌছে যায় বিভিন্ন পরিষেবা। শুধুমাত্র এলাকার কাজ নয় সাংসদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন-উত্তর কিংবা তর্ক-বিতর্কে জড়িত থাকতে দেখা যায় সাংসদদের। এবার সেই লোকসভার উপস্থিতি নিয়েই একটি রিপোর্ট কার্ড বানিয়েছেন আমেদাবাদের আইআইএম -এর অধ্যাপকেরা। সাংসদদের এলাকায় কাজ নয় তাঁর লোকসভায় উপস্থিতির বিষয়ে তাঁরা একটি রিপোর্ট কার্ড বানিয়েছেন।

সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে সেই তথ্য, তাঁর মধ্যে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের পারফর্মেন্স নিয়ে তথ্য দিয়েছে এডিআর। এই রিপোর্ট কার্ডে তৃণমূল সাংসদদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন দমদমের বিদায়ী সাংসদ সৌগত রায়। ২৮২ দিন উপস্থিতির নিরিখে ৫৭২ টি প্রশ্ন করেছেন লোকসভাতে তিনি। উপস্থিতির নিরিখে দ্বিতীয় হয়েছেন রানাঘাটের তাপস মণ্ডল। তাঁর লোকসভায় হাজিরা ২৭৯ দিন। হাজিরার দিকে দিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন হুগলির বিদায়ী সাংসদ রত্না দে নাগ ২৬৮ দিন। শুধুমাত্র উপস্থিতি নয় প্রশ্ন করার দিক দিয়েও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন রত্না দে নাগ। প্রশ্ন-উত্তর পর্বের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন বর্ধমান পূর্বের বিদায়ী সাংসদ সুনীল মণ্ডল। রিপোর্টে দেখানো হয়েছে বেশ কিছু তৃণমূল সাংসদ আছেন যারা লোকসভাতে উপস্থিত থেকেও কোনও প্রশ্ন করেননি। তাঁদের নাম হল- ঝাড়গ্রামের বিদায়ী সাংসদ উমা সোরেন, জলপাইগুড়ির বিজয় বর্মন, মথুরাপুরের চৌধুরি মোহন জাটুয়া, আলিপুরদুয়ার-এর দশরথ তিরকে এবং আরও অনেকে। তারকা প্রার্থীদের মধ্যে প্রশ্ন করতে দেখা যায়নি বাঁকুড়ার বিদায়ী সাংসদ মুনমুন সেন, মেদনীপুরের বিদায়ী সাংসদ সন্ধ্যা রায়।

 

উপস্থিতির নিরিখে শতাব্দী রায় রয়েছেন ভালো জায়গায় কিন্তু গোটা পাঁচবছরে সংসদে মোট প্রশ্ন করেছেন দুটি। অপরদিকে ঘাটালের বিদায়ী সাংসদ অভিনেতা-প্রযোজক দেব সাংসদে উপস্থিত ছিলেন ২৯ দিন আর প্রশ্ন করেছেন মোট তিনটি রিপোর্ট কার্ড অনুযায়ী। তৃণমূল কংগ্রেসের যুব কংগ্রেসের সভাপতি ও ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন ৯৩ দিন আর প্রশ্ন করেছেন মোট ৪৮ টি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here