ডেস্ক: ঐতিহাসিক বৈঠকে ফিনল্যান্ডে মুখোমুখি হতে চলেছেন বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিন। সোমবার ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি স্টেডিয়ামে প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এই দুই রাষ্ট্রনেতা। বৈঠকে দু’জনের মধ্যে সিরিয়া, ইরান, আমেরিকার নির্বাচন ও এবং ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই নেতা মূলত নিজের কর্ম পদ্ধতির জন্য ভিন্ন মেরুর নেতা হিসাবে পরিচিত। সেই কারণে এই বৈঠকদের প্রতি বিশেষ নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের।

বৈঠকে বসার আগেই ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, এই বৈঠক ফলপ্রসু হবে বলে আশা তাঁর। যদিও ২০১৬-র মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়টি উত্থাপন করে পুতিনকে চাপে ফেলার চেষ্টা ট্রাম্প করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১৪ সালে ক্রাইমিয়ার উপর রাশিয়া দখল নেওয়ার পর থেকেই আমেরিকা ও পুতিনের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। তখন থেকেই এক দেশ অন্যের উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা লাগানো শুরু করে। গত সপ্তাহেই ব্রাসেলের ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিয়ে ট্রাম্প সাফ করে দিয়েছিলেন ক্রাইমিয়াকে রাশিয়ার হাতে তুলে দিতে এখনও পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে রাজি নয়। মনে করা হচ্ছে এই বৈঠকের মূল কেন্দ্রবিন্দু ক্রাইমিয়ার এই সংকটই হবে।

অন্যদিকে, সিরিয়াও দুই দেশের মধ্যে সমস্যার কারণ হয়ে রয়েছে। একদিকে, ট্রাম্প যখন লাগাতার সিরিয়ায় রাসায়নিক কারখানা বন্ধ করতে সেনা হামলা চালিয়ে যাচ্ছেন। পুতিন কিন্তু সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদের সমর্থনে রয়েছেন। এই বিষয়টি নিয়েও যে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হবে তা বলেই দেওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here