ডেস্ক: সপ্তাহ খানেক আগে অবধি কথায় কথায় বোমা, মিশাইল, কামান দাগার কথা শোনা যেত দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মুখে। সম্প্রতি, সিঙ্গাপুরে বৈঠকের পরই এতদিনের পুষে রাখা রাগ গলে জল কিম ও ট্রাম্পের। এখন সাংবাদিকদের সামনে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মুখে শোনা যায় শুধুই ভালোবাসার কথা। সে ভালোবাসা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে হোয়াইট হাউসের গণ্ডি পেরিয়ে কিম যাতে যখন তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ফোন করতে পারেন তার জন্য নিজের ভিভিআইপি ফোন নম্বরটাও কিমকে দিয়ে দিয়েছেন ট্রাম। সঙ্গে এটাও বলেছেন, যখন খুশি ট্রাম্পকে যেন ফোন করেন কিম। শুক্রবার মার্কিন সাংবাদিকদের এমনটাই জানালেন বিশ্ব রাজনীতির ‘দাদা’।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, কিম কবে ট্রাম্পকে ফোন করবেন তার জন্য অবশ্য বসে থাকার পাত্র নন ট্রাম্প। জানা গিয়েছে, আগামী রবিবারই তিনি ফোন করতে চলেছেন কিমকে। আর ঠিক এখান থেকেই উঠে আসছে প্রশ্নটা, তবে কি উত্তর কোরিয়ার এই দুর্দান্ত শাসক কিমের বাবা সাজতে চাইছেন ট্রাম্প। এমনিতে বয়সের বিচারে কিমের পিতৃতুল্যই হন ট্রাম। ট্রাম্পের বয়স এই মুহূর্তে ৭২ অন্যদিকে কিম এখন মাত্র ৩৪। এছাড়া আগামী রবিবার আমেরিকার ‘ফাদার্স ডে’। আর সেই দিনেই কিমকে ফোনটা করবেন ট্রাম্প। এপ্রসঙ্গে আমেরিকার ফক্স নিউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এবার ‘ফাদার্স ডে’তে তিনি উত্তর কোরিয়ায় ফোন করবেন। এবং সেখানকার আমেরিকানদের সঙ্গে কথা বলবেন। যদিও সেখানে কিম-জন-উনের নাম উল্লেখ করেননি তিনি। এবং কিমকে নিজের ডাইরেক্ট নম্বর দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তবে এককালের ঘোর শত্রু এভাবে হঠাৎ মিত্ররূপ নিচ্ছে, এটাকে ভালো চোখে দেখছেন না অনেকেই। সংবাদমাধ্যমও এবিষয় নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনা করছে। অনেকের কাছে এটা কিমের একটা চাল বলে মনে হলেও, কিম প্রেমে বিভোর ট্রাম সাংবাদিকদের জানান, ‘এসব করছি তার কারণ, আমি চাই না কোন পারমাণবিক অস্ত্র তোমাকে বা তোমার পরিবারকে ধ্বংস করে দিক।’ আর এখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তবে পরমাণু অস্ত্রের ভয়েই কি কিমের ব্রিদ্ধ পিতা সাজতে চাইছেন ট্রাম্প?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here