ডেস্ক: প্রতিবছরই কলকাতায় দুর্গাপুজোর সময় বেশ কিছু অভিনব প্রতিমা তৈরি হয়। কখনও তা হয় সেগুন কাঠের, তো কখনও সেগুনের জায়গা নেয় মেহগানি। কখনও বা প্রতিমা মাটি দিয়ে তৈরি হলেও তাঁর রূপ চিরাচরিত রুপের থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়। তাই তা যেমন দর্শকদের ভালো লাগে তেমনই তা শিল্পগতভাবে উতকর্ষতার পরিচয়ও তুলে ধরে। দীর্ঘদিন ধরে এই পুজো প্রেমী ও শিল্প প্রেমী মানুষেরা দাবি করে আসছিলেন যে, অভিনব ওইসব প্রতিমা যেন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়। পরিবর্তনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সংরক্ষণ নীতির ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর এই উদ্যোগের জন্যই কলকাতার শিল্পরসে দুর্গা প্রতিমা দেখতে পাওয়া যায় মহানগরের আনাচে কানাচে। কখনও মেট্রো রেলের স্টেশনে তো কখনও ইকো পার্কে। কেউ কেউ আবার ঠাই খুঁজে নেয় রবীন্দ্র সরোবর লাগোয়া দুর্গা মিউজিয়ামে।

২০১৮’র পুজো শেষ। এবারেও শহরের অন্তত দুটি প্রতিমা রাজ্য সরকারের তরফে সংরক্ষণ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। শিল্পসত্ত্বার বিচারে কলকাতার দুর্গাপুজোর অপ্রতিদ্বন্দ্বী পুরস্কার হিসাবে কার্যত প্রতিষ্ঠা পেয়ে গিয়েছে এশিয়ান পেইন্টস শারদ সম্মান। কার্যত এই পুরস্কারই শিল্পসত্ত্বার মানদণ্ড হয়ে উঠেছে। এবছর সেই পুরস্কারের তরফেই সেরা পুজোর তকমা পেয়ে গিয়েছে দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্ক এলাকার ৯৫ পল্লি সার্বজনীন দুর্গোৎসব। সেইসঙ্গে বেহালা এলাকার নতুন দল পুজো কমিটিও পেয়ে গিয়েছে সেরা প্রতিমা সম্মান। ৯৫ পল্লির থিম ও প্রতিমা গড়েছেন প্রখ্যাত শিল্পী ভবতোষ সুতার। নতুন দলের প্রতিমা গড়েছেন নারায়ণ চন্দ্র সিনহা। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে দুটি প্রতিমাই রাজ্য সরকার সংরক্ষণ করতে পারে। তবে রাজ্য সরকারের তরফে এখনও এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোন ঘোষণা করা হয়নি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here