kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি : আয়োজন হয়েছিল সারা। হলে হবে কী, গ্রামবাসীরাই শামিল হলেন না ভোটযজ্ঞে। তাই দিনভর কার্যত মাছি তাড়িয়েই বেড়ালেন ভোটকর্মী থেকে শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী পর্যন্ত সবাই। হেমতাবাদ বিধানসভা এলাকার ঘটনায় চাঞ্চল্য।

হেমতাবাদ বিধানসভার শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খলসিঘাট এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে কুলিক নদী। নদীর দু পাড়ে রয়েছে শেরপুর, গোবিন্দপুর, লাইনপাড়া, ডাঙ্গিপাড়া সহ প্রায় তিনশো গ্রাম। ওই গ্রামগুলিতে বাস করেন লক্ষাধিক মানুষ। নদীর উল্টো পাড়ে রয়েছে রায়গঞ্জ শহর, হাসপাতাল সহ জেলা সদরের বিভিন্ন অফিস কাছারি। নানা প্রয়োজনে নিত্য শহরে আসেন হাজার পঞ্চাশেক মানুষ। কুলিক পেরিয়েই তাঁদের সারতে হয় দৈনন্দিন কাজকর্ম। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা নদী পার হওয়া ছাড়া উপায় নেই অসহায় গ্রামবাসীদের।

উপায় নেই বললে ভুল হবে। প্রায় চল্লিশ কিমি পথ ঘুরপথে গেলেও পৌঁছানো যাবে শহরে। তবে তাতে অর্থ এবং শ্রম দুইই খরচ হয় বেবাক। তাই গ্রামবাসীরা ধরেন শর্টকাট রাস্তা। আর তা হল কুলিক পার হওয়া। বর্ষার কয়েক মাস কুলিক পার হতে ভরসা নৌকা। বছরের বাকি সময়টা নদী পার হতে হয় বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে। জান বাজি রেখে সাঁকোর ওপর দিয়ে যাতায়াত করেন আবালবৃদ্ধবনিতা। তাই একটি পাকা সেতুর দাবি গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের। এই সেতুই না হওয়ায় এবার ভোট বয়কট করলেন ১২৯ ও ১২৯ / A বুথের হাজার দুয়েক ভোটার। তাঁদের অভিযোগ, ফি বার ভোট এলেই পাকা সেতুর প্রতিশ্রুতি দেন নেতারা। ভোট শেষে আর হয় না সেতু। তাই এবার ভোট বয়কট করেন তাঁরা। তার জেরে আক্ষরিক অর্থেই বিশ্রাম মোডে গোটা দিনটি কাটান ভোটকর্মীরা।  

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here