মজবুত দ্বিপাক্ষিক নীতিকে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি, মোদীকে ‘অর্ডার অব জায়েদ’ খেতাব আরবের

0

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সতির্থ অরুণ জেটলিকে হারানোর দিনেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার রাতে মোদী ফ্রান্স থেকে দুবাই পৌঁছে যাওয়ার পরই এদিন সেদেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘অর্ডার অব জায়েদ’ দ্বারা ভূষিত করা হয় তাঁকে। আরবের রাজপুত্র এই সম্মান তুলে দেন নরেন্দ্র মোদীর হাতে। এদিন আবু ধাবিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয় মোদীকে। প্রসঙ্গত, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর এই প্রথম কোনও মুসলিম প্রধান দেশে পা রাখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ফলে নানা দিক থেকে তাঁর এই বিদেশ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মধ্য এশিয়ার উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার লক্ষ্য নিয়েই নিজের দ্বিপাক্ষিক নীতি গড়ে তুলেছেন মোদী। তাঁর সেই অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই এই বিশেষ সম্মান প্রদান করা হল বলে জানানো হয়েছে আরব প্রশাসনের তরফ থেকে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্পর্শকাতর সম্পর্ক নিয়ে অবগত থাকার পরও দুবাইয়ের এই পুরস্কার আন্তর্জাতিক মঞ্চে একপ্রকার ভারতের শিরদাঁড়া আরও শক্তপোক্ত করবে বলাই যায়। অন্যদিকে এদিনই আরব আমিরশাহীর যুবরাজ মহম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। বৈঠকের মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও দুবাইয়ের সর্বোচ্চ নাগরিকের এই বিশেষ সম্মান ইতিপূর্ব একাধিক রাষ্ট্রনেতাদের দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেযোগ্য হলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। প্রসঙ্গত, নরেন্দ্র মোদী দুবাইয়ে পা রাখার আগেই সৌদি আরবের দূত আহমেদ অল বন্না জানিয়েছেন, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের সিদ্ধান্তে কোনও ভুল আছে বলে মনে করে না সৌদি আরব। এতেই কার্যত স্পষ্ট হয়ে যায়, পাকিস্তান জম্মু কাশ্মীর নিয়ে মুসলিম দেশগুলিকে কাছে টানতে চাইলেও তাতে পাত্তা দেয়নি আরব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here