national news

মহানগর ওয়েব়ডেস্ক: আজই গ্রেফতার হয়েছে উত্তরপ্রদেশের হাপুরে ৬ বছরের শিশুকন্যা ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবক দলপত৷ তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়েছিল পুলিশ৷ তবে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে দলপত৷ পুলিশের হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি করার চেষ্টা করে৷ এরপর তার পায়ে গুলি চালায় পুলিশ৷ ঘটনায় গুরুতর জখম হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি শিশুকন্যাকে অপহরণ ও ধর্ষণে অভিযুক্ত দলপত৷

হাপুর জেলার পুলিশ প্রধান সঞ্জীব সুমন জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের রাত থেকে হঠাত্ই বন্দুক ছিনিয়ে নেয় দলপত৷ এরপর পুলিশ কর্মীদের দিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ার চেষ্টা করে৷ আত্মরক্ষার্থে তার পায়ে গুলি করে পুলিশ৷ পুলিশের চোখে ধুলো দিতে বৃহস্পতিবার ভুয়ো মৃত্যুর নাটক করে অভিযুক্ত। আজ সেই অভিযুক্ত যুবক দলপতকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। বৃহস্পতিবার একটি নদীর ধার থেকে পুলিশ উদ্ধার করে কিছু জামাকাপড় ও একটি সুইসাইড নোট।

সেই সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, পুলিশের এনকাউন্টারে মরতে চাই না তাই নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলাম। এদিকে তদন্ত করতে গিয়ে অভিযুক্ত দলপতের স্কেচ বানিয়ে আগেই গোটা রাজ্যে তা ছড়িয়ে দিয়েছিল পুলিশ। অভিযুক্তকে ধরে এনে দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকার পুরস্কারও ঘোষণা করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত দলপতের সুইসাইড নোট পাওয়ার পর পুলিশ তার ছক পুরোপুরি বুঝে ফেলে।

বর্তমানে ঐ শিশুকন্যাটি মেরাটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দিল্লি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের গড় মুক্তেশ্বর এলাকায় নিজের বাড়ির বাইরে থেকে ওই শিশু কন্যাকে অপহরণ করে অভিযুক্ত দলপত।শিশুকন্যাটির খোঁজ না পেয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করে তার পরিবার। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে ওই শিশুকন্যাকে শেষ একটি বাইকে একজনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী অভিযুক্তের স্কেচ বানিয়ে তা গোটা রাজ্যে ছড়িয়ে দেয় পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here