মহানগর ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের হারদোই জেলার ঘটনা। বুধবার বিকেলে এক ব্যক্তিকে একটা মেয়ের কাটা মুণ্ডু নিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। এমন অদ্ভুত দৃশ্য ভয় পেয়ে যান সবাই। এদিক-ওদিক ছুটে পালিয়ে যেতে থাকেন। কিন্তু ওই ব্যক্তি শান্তভাবে হাঁটতে থাকেন। ভীত জনতার মধ্যে একজন পুলিশকে ফোন করেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

পুলিশের প্রশ্নের উত্তরে ওই ব্যক্তি কোনও দ্বিধা ছাড়াই জানান, তাঁর হাতে ১৭ বছরের মেয়ের মুণ্ডু। এক ব্যক্তির সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক ছিল। তা মেনে নিতে পারেননি। তাই তিনি মেয়ের মাথা কেটে নিয়েছেন। মেয়ের শরীরটা ঘরেই রয়েছে। মেয়ের কাটা মাথা নিয়ে থানায় যাচ্ছিলেন বলে ওই ব্যক্তি পুলিশের কাছে জানিয়েছেন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করে ওই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যায়।

হারদোই পুলিশের আধিকারিক কপিল দেও সিং জানিয়েছেন, ‘এক ব্যক্তি তাঁর কিশোরীর মাথা কেটে তা হাতে ঝুলিয়ে যাচ্ছিল। এই খবর পাওয়ার পরেই দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং ওই ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নিই। কাটা মুণ্ডু হাতে একটা ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে। এই বিষয়েও কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে এক পুলিশ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।’

উত্তরপ্রদেশে নারী নির্যাতন ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালে নারী নির্যাতনের ঘটনা সর্বোচ্চ ছিল। বুধবারই বাড়ির সামনের এক গর্ত থেকে কিশোরীর পচাগলা দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দিনে দিনে উত্তরপ্রদেশে নারী নির্যাতন, হেনস্থা ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন উঠে আসছে নারী নির্যাতনের খবর। কিছুদিন আগেই হাথরাসের একটি ক্ষেত থেকে তিন জন কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। একজনকে বাঁচানো সম্ভব হলেও, বাকি দুই জনকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্য দিকে, মঙ্গলবার যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিন থেকে ছাড়া পেয়েই নির্যাতিতার বাবাকে গুলি করে হত্যা করল। সোমবার উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে ঘটনাটি ঘটেছে। নির্যাতিতা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বাবার মৃত্যুর বিচার চেয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here