ডেস্ক: গৃহযুদ্ধে জেরবার সিরিয়ার পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত কয়েকদিন সিরিয়ান সেনার তরফ থেকে নির্বিচারে রাসায়নিক হামলায় প্রতিবাদে সরব হয়ে আগেই সাবধানবানী দিয়ে রেখেছিলেন ট্রাম্প। এবার ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে সঙ্গে নিয়ে চরম পদক্ষেপ টা নিয়েই ফেললেন তিনি। রাসায়নিক হামলার প্রতিবাদে আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্স একযোগে সিরিয়ার উপর বিমান হামলা শুরু করল। শুক্রবার এই বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়ে ট্রাম্প জানান, ‘আমি সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ভাণ্ডারে হামলার উপর অনুমোদন দিয়ে দিয়েছি। ফ্রান্স ও আমেরিকার সঙ্গে মিলে সশস্ত্র বাহিনীর হামলা করতে নেমে পড়েছে। এতে শুধুমাত্র রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডারগুলিকেই ধ্বংস করার উদ্দেশ্য।’

সিরিয়ার রাসায়নিক ভাণ্ডার ধ্বংস করতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুরেই সুর মিলিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। তিনি বলেন, ‘সিরিয়ায় এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে সেনা নামানো ছাড়া আর কোনও রাস্তা খোলা ছিল না।’ তবে এই হামলা যে কেবল রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তাও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে সিরিয়ার পূর্ব গোতায় রাসায়নিক হামলায় কমপক্ষে ৭০ জনের মৃত্যু হয়। বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে দমবন্ধ হয়েই মৃত্যু হয় অর্ধেকের বেশি মানুষের। স্থানীয়দের অভিযোগ, শনিবার একটি ক্লোরিন বোমা দ্বারা একটি হাসপাতালে হামলা চালানো হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় ৬ ব্যক্তির। এরপর লাগাতার বিষাক্ত রাসায়নিক হামলা চলে পূর্ব গোতার বিভিন্ন অংশে। সিরিয়ার সেনাবাহিনীর উপরই মূলত এই হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। এরপর সিরিয়ার উদ্দেশ্যে প্রচ্ছন্ন হুমকিও বহুবার দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তাতে কোনও কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেনা নামিয়েই দিলেন তিনি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here