corona virus news

Highlights

  • চিন ছাড়িয়ে বাকি বিশ্বেও বেশ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস
  • নিজেদের গোয়েন্দা বিভাগকে কাজে লাগিয়ে নজরদারি শুরু করল আমেরিকা
  • আমেরিকার সবচেয়ে বেশি চিন্তা ভারতকে নিয়ে

মহানগর ওয়েবডেস্ক: চিন ছাড়িয়ে এবার বাকি বিশ্বেও বেশ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। আর এই নিয়ে বেশ চিন্তায় মার্কিন প্রশাসন। সেই কারণে নিজেদের গোয়েন্দা বিভাগকে কাজে লাগিয়ে নজরদারি শুরু করল আমেরিকা। সম্প্রতি এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। বিশ্বের বাকি দেশের সরকার করোনা ভাইরাস আটকানোর জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে, সেটাই জানতে চাইছে মার্কিন প্রশাসন। তবে আমেরিকার সবচেয়ে বেশি চিন্তা ভারতকে নিয়ে।

এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনা ভাইরাস সেইভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি। কিন্তু ভারতের বিপুল জনসংখ্যার কারণে ব্যাপক চিন্তায় আমেরিকা। করোনা ভাইরাস সংক্রামিত হলে ভারত আদৌ তা ঠেকাতে পারবে কিনা, তা নিয়ে বেশ শঙ্কায় মার্কিনরা।

ভারতের পাশাপাশি, আমেরিকার নজরে ইরানও আছে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি ইরানে বেশ ভয়াবহ আকার নিয়েছে এই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। সেদেশের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সম্প্রতি এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। এই বিষয়ে ইউএস সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেয়োর দাবি, ইরান নাকি আদতে করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেক তথ্যই চেপে গিয়েছে।

সেদেশের হাউজ ইন্টালিজেন্স কমিটি সূত্রে খবর, প্রতিনিয়তই গোয়েন্দাদের কাছ থেকে বাকি দেশগুলির খবরাখবর নিচ্ছেন নেতারা। আমেরিকার শঙ্কা, উন্নয়নশীল বা অনুন্নত দেশগুলির কাছে এই করোনার দাপট আটকানোর মতো পরিকাঠামোই নেই।

অন্যদিকে, করোনা আতঙ্কে ত্রাস বাড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারেও। চিন ছাড়িয়ে করোনা এখন অন্যান্য দেশেও ঢুকে পড়েছে। যার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ধস নামতে পারে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলস্বরূপ যার প্রভাব ভারতীয় বাজারে মারাত্মক আকারে পড়েছে। এদিন সকালে শেয়ার মার্কেট খুলতেই হুহু করে নামতে থাকে সেনসেক্স। নিফটির দশাও করুণ। বিগত চার মাসে এদিন সবচেয়ে বেশি নীচে নেমেছে সেনসেক্স। প্রায় ১,১৫৫ পয়েন্ট নেমে এই মুহূর্তে ৩৮,৫৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে সেনসেক্স। আর এতেই অশনি সংকেত দেখতে পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।

বস্তুত করোনা ভাইরাস ক্রমশ যেভাবে মহামারীর আকার নিচ্ছে, তাতে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে কেউই ভরসা করতে পারছেন না। যার জেরে আন্তর্জাতিক বাজার ক্ষতির মুখ দেখতে। আর এর পরোক্ষে প্রভাব ভারতীয় বাজারে পড়ছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের আশঙ্কা, এভাবেই পতন চলতে থাকলে সপ্তাহান্তে প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে আন্তর্জাতিক বাজারে। যা গোটা ভারতের অর্তনীতির সমান। করোনাভাইরাস এপিডেমিকের গণ্ডি পেরিয়ে ‘প্যান্ডেমিক’ হতে পারে, এমনই আশঙ্কা করছে বিশ্ব। কারণ চিনের গণ্ডি পেরিয়ে এই ভাইরাস সাউথ কোরিয়া আর ইরানেও প্রভাব বিস্তার করছে। ফলে ধীরে ধীরে এটি আরও কিছু দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমন আশঙ্কা শুরু হয়ে গিয়েছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here