ডেস্ক: ফের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী? লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকে এই একটাই প্রশ্ন ঘুরতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। উত্তাপ, উত্তেজনার পারদ ক্রমশ বাড়ছে। আর গণতন্ত্রের বৃহত্তম উৎসবে শরিক হওয়ার কোনও সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছে না কেউ। শুরু হয়ে গিয়েছে দেশজুড়ে সমীক্ষাও। রবিবার প্রকাশ পেয়েছে দেশের অন্যতম সমীক্ষা সংস্থা ‘সি ভোটার’-এর সমীক্ষা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, আগামী সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বাকিদের থেকে নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট কয়েক ধাপ এগিয়ে রয়েছে ঠিকই। কিন্তু হিন্দি বলয়ের প্রধান রাজ্য ও লোকসভা নির্বাচনের নির্নায়ক রাজ্য উত্তরপ্রদেশে ধাক্কা খেতে চলেছে এনডিএ। যার নেপথ্যে রয়েছে সপা-বসপা জোট এবং যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসনিক ব্যর্থতা।

পশ্চিমবঙ্গের মতোই উত্তরপ্রদেশেও সাত দফায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে নির্বাচন। বাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির দিকে বিজেপি আঙুল তুললেও উত্তরপ্রদেশের অবস্থা আরও শোচনীয়। বিজেপি শাসিত রাজ্য হওয়া সত্ত্বেও দিনের পর দিন সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ হোক, বা আইনশৃঙ্খলার অবস্থা। সবদিক দিয়েই গ্রাফ নিম্নমুখী হয়েছে আদিত্যানাথের। আর এই পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে জোট বেঁধে ফেলেছেন পিসি-ভাইপো। আর এই জোটই বিজেপিকে আটকে দিতে পারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার ক্ষেত্রে। সি ভোটারের সমীক্ষায় প্রকাশ পেয়েছে, ৮০ লোকসভা বিশিষ্ট উত্তরপ্রদেশে জোট না হলে এবার ৭২টি আসন পেতে পারত। কিন্তু জোট হওয়ার ফলে কোনও মতেই ২৯টির বেশি আসন পাবে না বিজেপি। যদিও বিরোধীদের বক্তব্য, বিজেপির ২০ পেরনো নিয়ে সন্দেহ আছে উত্তরপ্রদেশে। আর এখানেই প্রধান ধাক্কাটা খেতে চলেছে এনডিএ।

 

এই জোট না হলে হাসতে খেলতে ৩০৭টি আসন ঝুলিতে নিয়ে ফের সরকার গঠন করতে পারত এনডিএ। সপা-বসপার জোটেই ২৬৪টি আসনে আটকে যেতে চলেছে এনডিএ জোট। তবে সমীক্ষায় প্রকাশিত সংখ্যা অনুযায়ী ম্যাজিক ফিগার ২৭২-এর থেকে ৮টি আসন কম থাকলেও সরকার গঠন করতে পারবে এনডিএ। সে ক্ষেত্রে বিজু জনতা দল, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির মতো দলগুলির সমর্থন প্রয়োজন হবে পদ্ম জোটের। সি ভোটারের এই সমীক্ষায় প্রকাশ পেয়েছে, আসন্ন লোকসভায় ১৪১টি আসন পেতে চলেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট। আঞ্চলিক দলগুলি পেতে চলেছে ১৩৮টি আসন। যা সরকার গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে ধরে নেওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here