প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভ্য়াক্সিন নেওয়ার পরেই ভারতে টিকাগ্রহণের মাত্রা অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি ব্লুমবার্গ এবং জন হপকিন্স ইউনিভার্টির এক সমীক্ষায় এমন রিপোর্ট সামনে এসেছে। ভারতে ভ্যাক্সিন ড্রাইভ শুরু হলেও তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই সংশয় ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরেই তা চার গুন বেড়ে গিয়েছে।

কোভিড ভ্যাক্সিন দ্বিতীয় দফা শুরু হলেও মানুষের মধ্যে ভ্যাক্সিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে অনেক সংশয় তৈরী হয়েছিল। গত মাসে ভারতে মাত্র ৫.১ মিলিয়ন মানুষ ভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ভ্যাক্সিন নেওয়ার পর এবং তিনি ভ্যাক্সিন নিতে আর্জি জানাননো পরেই ৫.১ শতাংশ থেকে বেড়ে ২১ মিলিয়নে এসে দাড়িয়েছে।

ভারতে কোভিড ভ্যাক্সিন নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ভ্যাক্সিন নেওয়া মানুষের মনে অনেকটাই সাহস জুগিয়েছে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তার পাশাপাশি ভারতে দ্বিতীয় দফার ভ্যাক্সিন ড্রাইভে ষাট উর্দ্ধ এবং ৪৫ বছরের উর্দ্ধে যাদের কোমর্বিডিটি রয়েছে তাদের সরকারি হাসপালে বিনাখরচে এবং প্রাইভেট হাসপাতাল গুলিতে ২৫০ টাকায় ভ্যাক্সিন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে ।

সূত্রের খবর, অনেক বড় কোম্পানি তাদের কর্মচারিদের ভ্যাক্সিনের খরচ দেওয়ার কথাও বলেছে। যাদের মধ্যে রয়েছে মুকেশ আম্বানির কোম্পানি অ্য়াকেনচার্স পিএলসি, রিলায়েন্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এবং ইনফোসিস লিমিটেড। সূত্রের আরও খবর অনুযায়ী  নিতা আম্বানি তাদের কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রত্যেক কর্মচারীদের সাহায্যে এবার করোনা ভাইরাসের ভয় সবার মধ্যে থেকে সরানো যাবে। এই বিবৃতির পর অনেক কর্মচারী কোভিড ভ্যাক্সিন নেওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছে বলেও জানা সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।

এই মাসের প্রথম দিকেই ভারত বায়োটেকের তরফে জানানো হয়েছিল, তাদের তৈরী কোভ্যাক্স মানুষের মধ্যে ৮১ শতাংশ অনেক বেশি কাজ করছে বিশেষ করে তার দ্বিতীয় ডোজের পরে। প্রধানমন্ত্রী ভ্যাক্সিন নেওয়ার পরে ভারত খুব দ্রুত এক তৃতীয়াংশ জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে বলেও মনে করা হচ্ছে।তবে ভ্যাক্সিন নেওয়ার গতি বাড়লেও সেরম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালার জানিয়েছিলেন আমেরিকার এক আইনের জন্য ভ্যাক্সিনের কাঁচামালে টান বাড়ছে, এই বিষয়টা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেও মনে করা হচ্ছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here