ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও কেরলের শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশাধীকার নিয়ে বিতর্ক এখনও বহাল। মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ার পরও বহু সংখ্যক মানুষ এই মন্দিরের প্রাচীন রীতিই বহাল রাখতে বদ্ধপরিকর। শরবীমালা মন্দির নিয়ে বিতর্কের এমনই কোনও শেষ নেই। এরই মধ্যে বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্ক আরও বাড়ালেন ভিএইচপি-র মুখপাত্র বিনোদ বনসল।

কেরলের শবরীমালা ইস্যু নিয়ে বনসল বলেন, শবরীমালা মন্দির দক্ষিণ ভারতের অযোধ্যায় পরিণত হয়েছে! তিনি আরও দাবি করেন, অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরি নিয়ে যেভাবে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, শবরীমালার পরিস্থিতিও এখন ঠিক তেমন। এর জন্য তিনি কেরলের বাম সরকারকেই দায়ি করেছেন। এখানেও না থেমে বিনোদ বনসল বলেন, শবরীমালা মন্দিরের ট্রাস্ট বোর্ডে হিন্দু ছাড়াও অন্য ধর্মের মানুষকে নিয়োগ করা হয়েছে, যেটা খুবই অপ্রত্যাশিত ব্যাপার।

উল্লেখ্য, শুধু বিনোদ বনসল নয়, এর আগে শবরীমালা মন্দির নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক ছড়িয়েছিলেন সীতারাম ইয়েচুরি। তিনি বলেছিলেন, শবরীমালা মন্দিরের ঘটনা বাবরি মসজিদের ঘটনার সমতুল্য। এমনিতেই শরবীমালা মন্দির নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরোধীতায় সরব হয়েছে বহু মানুষ। সমলোচিত হয়েছে কেরলের বাম সরকারও। শবরীমালা মন্দিরের প্রাক্তন প্রধান শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে বলেছিলেন মন্দিরে স্ক্যানার বসাতে যাতে মহিলারা ঋতুমতী কিনা তা বোঝা যায়। দক্ষিণী এক অভিনেতাও শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ নিয়ে মহিলাদের কেটে দু’টুকরো করারও নিদান দিয়েছিলেন!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here