bollywood news

মহানগর ওয়েবডেক্স: সচেতন নাগরিকের মতো নিজেদের দায়িত্ব পালন করার সঙ্গে সঙ্গে করোনা নিয়ে নিজেদের ফ্যানেদের আশ্বস্ত করেছেন বলিউডের তারকারা। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংক্রমণ প্রতিরোধ যুদ্ধে আর্থিক অনুদান দিতেও এগিয়ে আসছেন। করোনা বিপর্যয়ে আর্থিক অনুদানের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে বলিউডের নতুন প্রজন্মের তারকারা। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাজকুমার রাও, অনুষ্কা শর্মা, বরুণ ধাওয়ান, কার্তিক আরিয়ান প্রমুখ। এর সঙ্গে সংযোজিত হল আরও চার তারকার নাম। জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেতা ভিকি কৌশল, আলিয়া ভাট, সারা আলি খান ও অভিনেতা – গায়ক দিলজিত দসান্থ।

এদিন করোনা মোকাবিলায় আর্থিক অনুদানের অঙ্গীকার করে অভিনেতা ভিকি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়াতে জানিয়েছেন, ‘আমার বাড়িতে আমি প্রিয়জনের সঙ্গে যথেষ্ট আরামের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। অনেকেই আছেন যারা আমার মত সৌভাগ্যবান নন, এই সংকটের সময় আমি বিনম্র ভাবে পিএম কেয়ার এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে এক কোটি টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়ার অঙ্গীকার করলাম। আমরা সকলে মিলে একই সঙ্গে জয়ী হব। শক্তিশালী ভবিষ্যতের জন্য আসুন আমরা প্রত্যেকেই প্রয়োজনীয় কর্তব্যটুকু করি।’

এই একই পথে হেঁটে তরুণ প্রজন্মের তারকা, সইফ কন্যা সারা আলি খান জানিয়েছেন , ‘ আমি পিএম কেয়ার ফান্ড ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দিতে অঙ্গীকার বদ্ধ হলাম। আমি প্রত্যেকের কাছে অনুরোধ করছি তারা যেন তাদের সাধ্যমতো আমাদের দেশের মানুষদের সাহায্যে করেন। সামান্য অনুদানেরও মূল্য রয়েছে এবং সহমর্মিতাই এই অতিমারীর বিরুদ্ধে আমাদের একমাত্র আশা।’

মহেশ কন্যা আলিয়াও আর্থিক অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টুইট করে বলেছেন , ‘ এ এক দারুণ সংকটের সময় যখন সারা দেশের লকডাউন জারি হয়েছে, কোভিড–১৯ এর বিরুদ্ধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার অক্লান্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। যারা এই যুদ্ধের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের নিরাপদে রাখার জন্য নিজেদের জীবন বিপন্ন করছে তাদের প্রতি আমি কুর্নিশ জানাচ্ছি। তাদের এই যুদ্ধের প্রতি আমার সমর্থনের প্রতীক হিসাবে পিএম কেয়ার ফান্ডে ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে আমি আর্থিক অনুদান দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ হলাম।’

ভিকি নিজের অনুদানের পরিমাণ জানালেও সারা কিংবা আলিয়া নিজেদের অনুদানের অঙ্কের পরিমাণ জানাননি। পাঞ্জাবের জনপ্রিয় অভিনেতা গায়ক দিলজিত ও পিএম কেয়ার ফান্ডে আর্থিক অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, ভারতে এই মুহূর্ত্বে কোভিড–১৯ সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়েছে। যদিও বেশিরভাগ আক্রান্তই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন, আর তাতেই কিছুটা হলেও আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন চিকিৎসক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here