international news on vijay mallya

ডেস্ক: স্বদেশে প্রত্যার্পনে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে যে কোনও সময়ে। এমনই এক প্রবল চাপের পরিস্থিতিতে ‘পলাতক’ শিল্পপতি বিজয় মালিয়া টুইট করে ভারতে তার সম্পত্তি সংযুক্তিকরণ অন্যায় বলে মন্তব্য করেছেন। ব্যাঙ্কের টাকা তছরুপের অভিযোগে অভিযুক্ত শিল্পপতি একাধিক টুইট করে জানান, তার বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপগুলি প্রকৃত অর্থে তার প্রতি অবিচারের উদাহরণ। বিজয় মালিয়ার প্রথম টুইট, ‘ঋণ আদায়ি ট্রাইবুনাল (DRT)-এর আধিকারিকরা সম্প্রতি আমার সংস্থার ১৩ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি সংযুক্ত করেছে ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে। তারপরেও বলা হচ্ছে আমি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ৯ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি করিয়ে পালিয়ে গেছি। সুবিচার কোথায়?’

ইংল্যান্ডের স্বরাষ্ট্রসচিবের হাতে ভবিষ্যত নির্ভর করছে ভারতের একদা বৃহত্তম মদ ব্যবসায়ির। দেশে প্রত্যার্পন যে তার পক্ষে খুব সুখকর অভিজ্ঞতা হবে না সেটা আন্দাজ করেই শিল্পপতি যথেষ্টই উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছেন। তার দ্বিতীয় টুইটে তার হতাশা গোপন থাকেনি। ‘প্রতিদিন সকালে আমার ঘুম ভাঙে আমার আরও একটি সম্পত্তি সংযুক্তিকরণের খবর শোনার জন্য। ইতিমধ্যেই মোট ১৩ হাজার কোটি টাকার (সম্পত্তি) সংযুক্তি ঘটানো হয়েছে। এভাবে আর কতদূর যাবে? (এটা কি) যুক্তিযুক্ত?’ মালিয়ার তৃতীয় টুইট, ‘এই সবকিছু সংযুক্তিকরণের পরও ব্যাঙ্ক তাদের আইনজীবীদের অনুমতি দিয়ে রেখেছে ইংল্যান্ডে এসে অর্থহীন কিছু মামলা করার। জনগণের টাকা এভাবে অপচয় করার জন্য কে দায়ী থাকবে?’

২০১৬ সালের মার্চ মাসে কিং ফিশার এয়ারলাইন্সের ৯হাজার কোটি টাকা ব্যাঙ্কের বকেয়া রেখে দেশ ছাড়ে বিজয় মালিয়া। তারপর থেকেই তাকে ‘পলাতক’ আখ্যা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তোড়জোড় শুরু হয় শিল্পপতিকে এই দেশে প্রত্যার্পন করানোর জন্য। ইংল্যান্ডের আদালত ভারতের সেই প্রত্যার্পনের আবেদনে স্বপক্ষেই রায় দেয়। তারই প্রেক্ষিতে বিজয় মালিয়া একাধিকবার তার বিরুদ্ধে অবিচারের প্রসঙ্গ তুলেছেন। কিছুদিন আগে তিনি ব্যাঙ্কের সমস্ত অনাদায়ী ঋণ শোধ দেওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন কিন্তু তার ফলে শিল্পপতির পক্ষে অনুকূল কোনও সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here