মহানগর ওয়েবডেস্ক: যাদবপুর কাণ্ডে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বাবুল সুপ্রিয় নিগ্রহ কাণ্ডে এবার সাংবাদিক বৈঠক করে কার্যত হুঙ্কার দিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের দেশবিরোধী তকমা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর মন্তব্য, যেভাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল সেভাবেই যাদবপুরে ঢুকে গুড়িয়ে দেওয়া হবে কমিউনিস্টদের ঘাঁটি।

বৃহস্পতিবারের ঘটনার প্রেক্ষিতে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হয় এবিভিপির তরফে ইউনিয়ন রুম ভাঙচুরের বিষয়ে। উত্তরে কার্যত ক্ষেপে ওঠেন দিলীপ। বলেন, ‘১০০ বার ভাঙবে, বন্ধ করে দেওয়া উচিত। ওখানে দেশদ্রোহিতার শিক্ষা দেওয়া হয়। এগুলো কোনও ভাবেই আমরা বরদাস্ত করব না। যেভাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল সেভাবেই যাদবপুরে ঢুকে গুড়িয়ে দেওয়া হবে কমিউনিস্টদের ঘাঁটি।’ পাশাপাশি, যাদবপুরের উপাচার্য ও সহ উপাচার্যকেও এক হাত নেন তিনি। তার দাবি, ‘৬ ঘন্টা ধরে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নিগ্রহ করা হয়েছে, অগ্নিমিত্রা পলকে হেনস্থা করা হয়েছে অথচ উপাচার্য, সহ-উপাচার্য, পুলিশ সবাই চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল। উপাচার্য, সহ-উপাচার্য অসুস্থতার ভান করছেন।’

যাদবপুরে যে বহিরাগত ছাত্ররা ছিল তার প্রমাণ স্বরূপ সেই ছবি এদিন সবার সামনে তুলে ধরেন দিলীপ ঘোষ। যেখানে দেখা যায় বাবুল সুপ্রিয়র চুল ধরে টানছেন এক ছাত্র। এরপরই দিলীপের দাবি, ‘যে ছেলেটা বাবুলের চুল টেনে ধরেছে সে যাদবপুরের ছাত্র নয় সংস্কৃত কলেজের ছাত্র। সমস্ত তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে।’ বৈঠকে রাজ্যপালের প্রশংসাও শোনা যায় বিজেপি সভাপতির মুখে। তার দাবি, ‘রাজ্যপাল এখানে আচার্য। তাঁর পূর্ণ অধিকার রয়েছে ব্যবস্থা নেওয়ার। উনি আইন ও রাজনীতি দুটোই জানেন। আর সেভাবে উনি ক্যাম্পাসে ঢুকে বাবুল সুপ্রিয়কে বের করে এনেছেন তার প্রশংসা করছি আমরা।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here