kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: লকডাউনের মধ্যে ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান। প্রায় ৩০০ অতিথিকে নিমন্ত্রণ করে খাইয়ে শ্রীঘরে নতুন বর। মুখ্যমন্ত্রী বারংবার মানুষরের কাছে করজোড়ে জমায়েত রুখতে আবেদন করছেন। মানুষকে ঘরবন্দি থাকতে বলছেন। অথচ তারই দলের পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সভাপতি ও সদস্যদের উপস্থিতিতেই জনসমাগম করে এই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে। এদিন অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করল পুলিশ। পাত পেড়ে খেলেন শতাধিক আত্মীয়-স্বজন। বাড়ির সামনে গাড়ির লম্বা লাইন। ছাদে তৈরি মণ্ডপ। অথচ বহু মানুষের সমাগম চোখে পড়ল না প্রশাসনের।

অনুষ্ঠান প্রায় শেষে খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিশ। ততক্ষণে চম্পট আত্মীয়-স্বজনের দল। এই বিয়ের ঘটনা ঘটল শাসন থানার টোনা গ্রামে। তৃণমূলের বর্তমান সক্রিয় কর্মী তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য এখলাসউদ্দিনের বউভাত অনুষ্ঠান চলছিল। দেখা গেল, আত্মীয়-স্বজন থেকে মেয়ের বাড়ির লোকজন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। বেশির ভাগ মানুষের মুখ ঢাকা ছিল মাস্কে। তবে দূরত্বের পরোয়া ছিল না। যদিও বরের দাবি, কোনও ভিড় ছিল না। লোকজন এসেছে, খেয়েছে নববধূকে আশীর্বাদ করে চলে গিয়েছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে।

অনুষ্ঠান বাড়িতে প্রায় শ’তিনেক লোকের সমাগম হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় নাম জড়ায় ফলতি-বেলিয়াঘাটা পঞ্চায়েত প্রধান নজিবুল রহমান ও পঞ্চায়েত সভাপতি মেহেদি হাসানের। পাশাপাশি শ’তিনেক লোকের নিমন্ত্রণ ছিল বলে তিনি দাবি করে বলেন, আমি ও পঞ্চায়েত সভাপতি বিষয়টি নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলাম। লকডাউন চলাকালীন কেন বিয়ে আসর চলছিল, তা নিয়ে শাসন থানার পুলিশ জানায়, তাদের কাছে কোনও বিয়ের অনুষ্ঠানের খবর ছিল না। পরে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করে বরকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here