kolkata bengali news

ডেস্ক: ধীর পায়ে নামলেন হেলিকপ্টার থেকে, দূর থেকই দেখতে পেলেন, গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে আসছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে হাত নাড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মমতা এগিয়ে এসে উত্তরীয় পরিয়ে দিয়ে হাতে ফুলও তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রীর। প্রাথমিক সম্বর্ধনা পর্ব সেরেই মঞ্চে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু ভাষণের শুরুতেই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আপামর পড়ুয়াদের কাছে চেয়ে নিলেন ক্ষমা। মোদী ভাষণের শুরুতেই তাঁর হঠাৎ ক্ষমা চাওয়ায় হইচই পড়ে যায় উপস্থিত সকলের মধ্যে। ক্ষমা চাওয়ার কারণ অবশ্য এর পরই খোলসা করে দেন বিশ্বভারতীর আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী।

মোদী বলেন, ”চ্যান্সেলর হিসাবে আমি যখন আসলাম তখন কিছু পড়ুয়া ইশারা করে আমায় বলেন যে তাদের পানীয় জলের অভাব রয়েছে। আপানদের এই সমস্যার দায় নেওয়া চ্যান্সেলর হিসাবে আমার দায়িত্ব। এই জন্য আমি আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এরপরই আমি নিজের কথা বলব।”

বিশ্বভারতীতে এসে নিজের উচ্ছ্বাস চেপে রাখেন নি প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষণের প্রত্যেক লাইনেই এদিন বারবার উঠে এসেছিল বিশ্বকবি ‘গুরুদেব’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা। বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে নিজের প্রথম ভাষণে মোদী বলেন, ”প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুবাদে দেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আমি যোগ দিয়েছি। কিন্তু সে সকল জায়গায় আমি অতিথি হিসাবে গিয়েছি। কিন্তু এখানে আমি অতিথি হিসাবে নয়, আচার্য হওয়ার সুবাদে আপনাদের মাঝে এসেছি। আমাদের দেশের মহান গণতন্ত্রের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবারই কলকাতা এসে পৌঁছে হেলিকপ্টার সহযোগে বিশ্বভারতীতে যান মোদী। ৪৯তম সমাবর্তনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। এছাড়াও এদিন বিশেষ অতিথি রূপে পুরো অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here