ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের নির্ঘন্ট নিয়ে টালবাহানা অব্যাহত৷ মঙ্গলবারও প্রকাশিত হল পঞ্চায়েত ভোটের নতুন নির্ঘন্ট৷ মূলত, দিনক্ষণ নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার মতানৈক্যে না পৌঁছাতে পারার জন্যই এমনটা হল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

উল্লেখ্য, এদিন দুপুরে হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের এজলাসে শুনানির পরই নতুন সূচি নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়ে যায় নবান্নে৷ আদালতের নির্দেশে ভোট প্রক্রিয়া শুরু করে দেয় নির্বাচন কমিশনও৷ নতুন সূচি নিয়ে আলোচনা করতে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কমিশনের দফতরে যান সৌরভ দাস৷ দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় ঘন্টাখানেক বৈঠকে চলার পরও প্রথমে দিনক্ষণ নিয়ে মতানৈক্যে পৌঁছাতে পারল না দুই পক্ষ৷

সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার চাইছে ১৪ এবং ১৬ মে ভোট করতে৷ অন্যদিকে, রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোট করতে চাইছে ১৫ এবং ১৭ মে। তবে দু’পক্ষই চাইছে ১৯ মে গননা হোক৷ মতানৈক্যে পৌঁছাতে না পেরে নবান্নে ফিরে যান পঞ্চায়েত দপ্তরের ওএসডি সৌরভ দাস৷ প্রথমে মুখ্য সচিব মলয় দে ও পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি৷ মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে আলোচনা সেরে ফের কমিশনের দফতরে দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে যান সৌরভ দাস৷ আসলে রাজ্য সরকার চাইছে রমজান মাস শুরুর আগেই অর্থাৎ রোজা শুরুর আগেই অন্তত দু’দফায় যাতে ভোট করা যায়৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশন আবার তাদের তারিখেই সিলমোহর দিতে যায়৷ প্রয়োজনে তিন দফায় ভোট করাতে চাইছে কমিশন৷ যেখানে প্রবল আপত্তি রাজ্য সরকারের৷ সব মিলিয়ে আজও প্রকাশ করা গেল না নতুন সূচি৷

এদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশে ভোটের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন৷ কারণ, পঞ্চায়েত ভোটে নিরাপত্তার দিকটি খুব গুরুত্ব দিচ্ছে হাইকোর্ট৷ আদালতকে কমিশন জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই তারা রাজ্য পুলিশের ডিজি ও বিভিন্ন জেলার এসপি, জেলা শাসক, মহকুমা শাসককে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য চিঠি দিয়েছে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here