news bengali

মহানগর ওয়েবডেস্ক: গোটা দেশবাসীকে শোকস্তব্ধ করে শেষবারের মতো বিদায় নিয়েছেন অভিনেতা ইরফান খান। তাঁর প্রয়াণ কার্যত গোটা দেশের আবালবৃদ্ধবনিতাকে নাড়িয়ে দিয়েছে। আট থেকে আশি, সাধারণ মানুষ থেকে রাজনীতিবিদ; সকলেই শোকে বিহ্বল। রূপোলী পর্দায় অসামান্য সাফল্য পাওয়া ইরফানের জীবন অবশ্য ২০১৮ সালেই ওলট-পালট হয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ই প্রথমবার নিউরো এন্ডোক্রাইন নামক বিরলতম টিউমারের খোঁজ মেলে তাঁর শরীরে। যা ক্যানসারের আরেক প্রকার। সেই সময় থেকেই অন্যদিকে মোড় নিয়েছিল ইরফানের জীবন। আর জীবনের প্রত্যেক মোড়ে তাঁর সঙ্গ দিয়েছিলেন স্ত্রী সুতপা।

কলকাতা ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও বাংলা ছবি না করলেও কলকাতার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য টান ছিল ইরফানের। কারণ ছিলেন তাঁর বাঙালি স্ত্রী সুতপা সিকদার। নিজের স্ত্রীকে তিনি কতটা ভালোবাসেন তা কখনই প্রকাশ্যে বলেননি। তবে নিজের শেষ ছবি ‘আংরেজি মিডিয়াম’ মুক্তি পাওয়ার সময় নিজের স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ‘যদি বাঁচার সুযোগ পাই, তবে সুতপার জন্যই আমি বাঁচতে চাইব।’

মুম্বই মিরর-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরফান বলেছিলেন, ‘বিদেশে চিকিৎসা চলার সময় সুতপা সবসময় আমার খুব যত্ন নিত। আমি ভাষায় তা কখনও প্রকাশ করতে পারব না। যদি আমি বাঁচার সুযোগ পাই তবে সুতপার জন্যই বাঁচতে চাইব। আমার বেঁচে থাকার কারণই তো সুতপা।’

‘ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা’ থেকে স্নাতক হওয়ার পর সাতপাকে সুতপার সঙ্গে বাধা পড়েছিলেন ইরফান। ১৯৯৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী তাদের বিয়ে হয়। এরপর দুই ছেলের জন্ম হয়। তাদের নাম বাবিল ও আয়ান। শেষ সময়ে সুতপা ও দুই ছেলে ইরফানের সঙ্গে কোকিলাবেন হাসপাতালেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। গোটা দেশ ইরফানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ। শোক জ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, সকলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here