মহানগর ওয়েবডেস্ক: বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ভারতের নাম। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও গতকাল রাষ্ট্রসঙ্ঘের এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে গোটা বিশ্বকে আশ্বস্ত করেছেন ভারতের ভ্যাকসিন তৈরীর ক্ষমতা সম্পর্কে। প্রধানমন্ত্রীর এই আশ্বাস ও তার গঠনমূলক পরিকল্পনার প্রশংসা শোনা গেল এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর প্রধান টেডরোস আধানোম  গ্যাব্রিয়সুসের মুখে। নরেন্দ্র মোদীর সুরে সুর মিলিয়ে তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য উৎপাদনকারী শক্তিগুলি এক হলে তবেই এই অতিমারিকে পরাজিত করা সম্ভব।

শনিবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের ৭৫তম সাধারণ সভায় ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘বিশ্বের সর্বোচ্চ ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও একটা বিষয় আশ্বস্ত করতে চাই। ভারতের ভ্যাকসিন উৎপাদন এবং বন্টনের ক্ষমতা সমগ্র মানবজাতিকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে ব্যবহার করা হবে।’ অতিমারির এই কঠিন সময়ে মধ্যেও ভারত ১৫০-র বেশি দেশকে ওষুধ সাপ্লাই করেছে, সেটাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

নরেন্দ্র মোদীর এই আশ্বাসের প্রেক্ষিতে হু প্রধান এদিন টুইট করে লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সংহতির এই প্রতিশ্রুতির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।  আমাদের সমস্ত ক্ষমতাকে এক করে তা সাধারণ মানুষের জন্য ব্যবহার করার মাধ্যমেই একমাত্র আমরা কোভিড ১৯ অতিমারিকে বিনাশ করতে পারব।’

১৯৩ সদস্যের রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে ভারতে তৃতীয় পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়াল সফল ভাবে চলছে এবং খুব শিগগিরই কোনও সুখবর পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন সকলে। তবে এই পরিস্থিতিতে যখন গোটা বিশ্ব একটা ভাইরাসের সঙ্গে লড়ছে, তখন রাষ্ট্রসঙ্ঘের ভূমিকা ঠিক কী তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘গত ৮-৯ মাস ধরে গোটা বিশ্ব করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়ছে। সঙ্ঘবদ্ধ এই লড়াইয়ে রাষ্ট্রসংঘ কোথায়।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here